BREAKING NEWS
প্রযুক্তির সংবাদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
প্রযুক্তির সংবাদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

০১ সেপ্টেম্বর ২০১৫

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial intelligence)

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন এবং সফটওয়্যার দ্বারা বিকাশিত বুদ্ধি।


কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যা আমাদের কম্পিউটার আর সফটওয়্যার কে দিন দিন উন্নত করে চলেছে । এটা নিয়ে এখন আর অনেক গবেষণা চলছে এবং এটা অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এ এর কোর্স আছে যার নাম কম্পিউটার ও সফটওয়্যারের আচরণ। জন ম্যাকাথি (John McCarthy) ১৯৫৫ সালে শব্দটি উদ্ভাবন করেছিলেন “বিজ্ঞান ও প্রকৌশল দ্বারা তৈরি বুদ্ধিমান মেশিন”
এটা এখন গভীর গবেষণা এর কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু এর সমস্যা হচ্ছে এ নিজে থেকে কিছু শিখতে পারে না যেমন শেখে একটি বাচ্চা, এর জন্য লাগে অনেক তথ্য, জ্ঞান, প্ল্যানিং সেখান, প্রাকৃতিক ভাষ এবং আর কিছু। কিন্তু আপনারা যদি চ্যাপি (CHAPPIE) মুভিটা দেখেন তাহলে বুঝতে পারবেন কিভাবে একটা রোবট কে আমাদের চারপাশ সমন্ধে, আমাদের পৃথিবী সমন্ধে সেখান হয়। আমরা লক্ষ্য করলে দেখবো আমাদের চারপাশে সব যন্ত্র কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা চলছে।



এবার আসি কিছু মজাদার বিষয়ে। আপনারা কেউ কি হার (HER) ছবিটি দেখেছেন? যদি না দেখেন তাহলে আমি কিছুটা বলছি। একজন তার কম্পিউটার সাথে মানে কম্পিউটার এর একটা মেয়ে এর সাথে কথা বলতে বলতে প্রেমে পড়ে যান। কিন্তু মেয়েটা ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা তৈরি। যদি মুভিটা দেখেন তাহলে মজাটা নিতে পারবেন। বুঝতে পারবেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি মজার। এবার বলি আইরন ম্যান এ কথা (Iron man) এবার জিজ্ঞেস করব না কেউ দেখেছেন কি না কারন এ মুভি দেখেননি এমন লক খুব কমিই আছেন। এখানে মজার যে বিষয় মানে আমার কাছে ভাল লেগেছে তা হচ্ছে জারভিস (JARVIS)  Just A Rather Very Intelligent System.  জারভিস এমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি যা টনি স্টারক এর সকল কাজ সহজ করে দেয়।


এখন যদি বলি আপনিও টনি স্টারক হতে পারবেন। মানে নাম পরিবর্তন করা লাগবে না কিন্তু তাঁর মত করে কমান্ড তো দিতে পারবেন। এখন ভাবছেন আপনার তো এত বড় ল্যাব নেই তো কি হয়ছে আপনার কম্পিউটার তো আছে। এখন বর্তমানে উইন্ডোজ ১০ এর দ্বারা অনেকে এই সুবিধা নিয়ে থাকছেন কিন্তু এখানে একটা সমস্যা আছে আপানার নেট নেয় ত আপনার করটানা নেই, মানে অন্ধকারে  নিজের ছায়াও হারিয়ে যায়।
আমি আপনাদের নেট ছাড়া কিছু বন্ধু দেব যা সব সময় আপনার সাথে থাকবে।  jarvis.ai-dot.net/ এখানে আপনি আপনার বন্ধুকে ডাউনলোড করেতে পারবেন। এবার এটাকে চালিয়ে দেখুন অনেক মজা পাবেন আপনি আপনার ইচ্ছা মত অনেক কমান্ড যোগ করতে পারবেন, আপানার অনেক কাজ দ্রুত করতে পারবেন। যেমন আপনি ফেসবুক এ যেতে চাচ্ছেন , বলুন open Facebook  বা আপনি যা সেট করতে চান জারভিস আপনাকে ফেসবুক এ নিয়ে চলে যাবে এছাড়া আপনার ফেসবুক এ যদি লগিন করা না থাকে বলুন login Facebook এবার জারভিস আপনার ইউজার নাম পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করবে। কিন্তু আপনাকে সব তথ্য তাঁর কাছে দিয়ে রাখতে হবে।




 এছারাও আপনি আর ব্যাবহার করতে পারেন ব্রাইনা (www.brainasoft.com) সফটওয়্যারটি। আসলে আমি এই পোস্টটা লিখতে গিয়ে আমাকে ব্রাইনা অনেক সাপোর্ট করেছে। কিন্তু হ্যা এটি ভয়েস দ্বারা চালাতে হলে নেট লাগবে। ব্রাইনা এর মজার ব্যাপার হচ্ছে আপনি আপনার এন্ডরইড মোবাইল এর মাধ্যমে চালাতে পারবেন আপনার ঘরের যে কোন প্রান্ত থেকে, আমার আপনি লিখেও অনেক সাহায্য নিতে পারেন। যেমন আপনার কোন কিছু সম্বন্ধে জানার দরকার আপনি ব্রাইনা কে বলুন বা লিখুন Find information on…….. আপনি যা জানতে চান। হ্যা আপনি গুগল এর সাহায্য নিতে পারেন আবার উইকিপিডিয়া তে খজ করতে পারেন কিন্তু এর দ্বারা আপনাকে সব পড়তে হবে তারপর আপনি মুল বিষয়টা বুঝবেন কিন্তু ব্রাইনা আপনাকে সুধু তাঁর সম্বন্ধে আসল ধারনা দেবে । এছারাও আবহাওয়া কেমন কইটা বাজে সব। আপনি এর দ্বারা আর অনেক কিছু করতে পারেন যেমন আপনি কার সাথে টাকা পান এটি আপনি ব্রাইনা এর সাহায্যে লিখে রাখতে পারেন যেমন বলুন বা লিখুন Note…….. এবার বলুন কার সাথে টাকা পান এবং কত টাকা বা আপনার যা ইচ্ছা তায় বলুন আপনার এইটা নোট হয়ে যাবে। এছারাও আপনি আর অনেক কিছু করতে পারবেন যেটা আসলেয় অনেক মজার।  এর কমান্ড গুলা দেখুন আসা করি অনেক ভাল লাগবে 

আর কিছু মজার সফটওয়্যার আছে যা আপনারা আপনাদের কম্পিউটারে ব্যাবহার করে দেখে পারেন। যেমন ; https://www.makoprogram.net এটিও অনেক মজার জারভিস এর মত।  http://www.guile3d.com এটাতে আপনি আনিম্যাটেড ছবি সহ দেখতে পারবেন। www.nuance.com/dragon/ এটা অনেক বড় একটি সফটওয়্যার অনেক বড় বড় কোম্পানি এর দ্বারা লেখালেখি এর কাজ করে থাকে, মানে কথা বলে আর এই সফটওয়্যার সেই কথা গুলো লিখতে থাকে। 

জারভিস এর মত করতে চাইলে এখান http://eapathy.deviantart.com/art/S-H-I-E-L-D-OS-Jarvis-Iron-Man-like-theme-410314763 থেকে থিম ডাউনলোড করে নিন। 

ধন্যবাদ। 


২৭ নভেম্বর ২০১৩

কিভাবে ওডেস্ক ও ফ্রিলাঞ্চারে প্রথম প্রোজেক্ট পাওয়া যায়

kivabe odesk ba freelancare kaj paoya jayঅনলাইলে যে টাকা আয় করা সম্ভব তা হয়ত অনেকে জানেন। এবং বর্তমানে অনেকে টাকা আয় করা শুরু করে দিয়েছেন। আমাদের এই অনলাইনে কাজ করাকে ফ্রিলাঞ্চিং,আউটনসোর্চিং বলা হয়। 
বর্তমানে বাংলাদেশ,পাকিস্তান,ফিলিপাইন,ইন্ডিয়া ইতাদি দেশগুলোতে অউটসোর্চিং একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হয়ে উঠেছে। বাড়িতে বসে বা ঘরে বসে টাকা আয় করা যায় বলে এর জনপ্রিয়তা এতটা বেশি। ঘরে বসে টাকা আয় করার এটা একটি ভাল মাধ্যম। যেমন এটা করতে হলে বাইরে কোন জাগায় যেতে হয় না আবার সাধারন চাকরির থেকে এতে অনেক বেশি টাকা আয় করা সম্ভব। এই কাজ গুলো যেহেতু ইন্টারনেট ভিত্তিক তাই যুবক এবং কিশোর এই পেশায় বেশি নিয়োজিত হচ্ছে। আমিও একজন ফ্রিলাঞ্চার এবং একটি প্রতিষ্ঠান থেকে সম্পূর্ণ ফ্রি শিখেছি। এবং আমি বর্তমানে সেখানে কাজ শিখছি। প্রতিষ্ঠানের নাম UNIQUE SOFT BD (uniquesoftbd.com)


অনেকে হয়ত আর টিভিতে আমাদের সাক্ষাৎকার দেখেছেন। ফ্রিলাঞ্চিং,আউটনসোর্চিং সম্বন্ধে বলতে গেলে অনেকে এখন এর দিকে ঝুকে পরছে কিন্তু ভাল দক্ষতা এবং ভালোভাবে না জানার কারনে অনেকে এই কাজ থেকে সরে যাওয়ার মত কাজ করছে। তারা মনে করেন এখান থেকে ভাল টাকা আয় করা সম্ভব নয়। আবার যারা এই কাজে এখন নিজুক্ত আছেন কিন্তু কোন কাজ পাচ্ছেন না তাদের জন্য আজকের লেখা।
যারা ফ্রিলাঞ্চিং,আউটনসোর্চিং এ নতুন তাদের সব চাইতে বড় যে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় তা হচ্ছে, প্রথমে ভাল মত ইংরেজি না জানা এবং দ্বিতীয় হচ্ছে কিভাবে সহজে প্রথম প্রোজেক্ট পাওয়া যাবে। তো আজকে ফ্রিলাঞ্চিং,আউটনসোর্চিং এ কিভাবে প্রথম প্রোজেক্ট পাওয়া যায়এটা নিয়ে লিখব


ফ্রিলাঞ্চ, ফ্রিলাঞ্চার,ফ্রিলাঞ্চিং  এর মানে দাড়ায় নিজেকে এমপ্লয়ার করা। এর কাজ অনেক প্রোজেক্ট এর সাথে কাজ করা কোন একটি কোম্পানির সাথে না। ফ্রিলাঞ্চারা হচ্ছে স্বাধীন পেশাজীবী বা মুক্ত পেশাজীবী।
ফ্রিলাঞ্চার কথাটি প্রথম ব্যাবহার করেন স্যার ওয়াল্টার স্কট, আয়ভেনহো (১৮২০)। মেডিইভাল মারচেনারি ওয়ারিওর  আর ফ্রিলাঞ্চ। এর মানে যোদ্ধা কোনদিন কোন জমিদারের সেবা গ্রহন করবে না। আবার বিনামুল্যে কোন কাজ করবেনা।
এবার  ফ্রিলাঞ্চিং,আউটনসোর্চিং সম্বন্ধে বলা যাক। ফ্রিলাঞ্চিং,আউটনসোর্চিং প্রায় এক। তাও কিছুটা পার্থক্য আছে যেমন ফ্রিলাঞ্চিং মানে নিজেকে এমপ্লয়ার করা এর আউটনসোর্চিং এর মানে অন্য কার  কাজ নিজে করে দেওয়া।
কিভাবে ফ্রিলাঞ্চিং,আউটনসোর্চিং চাকরি পাবেন বা প্রোজেক্ট পাবেন।
অনেক ভাল ভাল ফ্রিলঞ্চারা লক্ষ করে দেখবেন তাদের এখন অনেক কাজ আছে আবার বিকালে বা কিছুক্ষণ পরে না থাকতে পারে। আবার একমাসে অনেক টাকা আয় হয় আবার পরের মাসে কিছু হয় না।
তাই ওডেস্ক ওয়েবইনারে তারা বলছে একসাথে অনেক কাজ করতে। অনেকে বলতে পারেন একটা প্রোজেক্ট তো পাওয়া যায় না অনেক কিভাবে পাব। তাদের বলছি, ফ্রিলাঞ্চিং এর মানে নিজেকে মার্কেটিং করা যে জত নিজেকে মার্কেটিং করতে পারবে সে অনেক বেশি প্রোজেক্ট পাবে। আর নিজেকে মার্কেটিং করতে হলে জা জা করতে হবে তা হচ্ছে।
এর তিনটা ধাপ আছে এগুলা করলে প্রোজেক্ট পাওয়ার সম্ভবনা অনেক বেড়ে যায়। প্রথম যেটা করতে হবে
একটি ভাল মানের প্রোফাইল তৈরি করতে হবে। দ্বিতীয় যেটা  সেটা হচ্ছে কভার লেটার এবং সব শেষে ক্লাইন্ট ম্যানেজমেন্ট।
কিভাবে ভাল মানের প্রোফাইল তৈরি করবেনঃ 
ভালমানের প্রোফাইল তৈরি করতে পারলে আপনার কাজ পাওয়ার আসংখা  অনেক বেড়ে যায়। প্রায় ৫০-৬০% কাজ পাওয়া যায় প্রোফাইলের উপর ভিত্তি করে। তাই প্রোফাইল একটা ভাল বিষয় কাজ পাওয়ার জন্য।
তাছাড়া একটি প্রোফাইলে অনেক উপাদান থাকে যেমনঃ  ছবি, নাম, টাইটেল, স্কিল, ওভারভিউ, পোর্টফলিও, স্কিল টেস্ট, পড়াশোনার সনদপত্র, যব হিস্টরি, ফিডব্যাক, ইত্যাদি।
ছবি
আপনার ছবিটিতে কোন কাজ করবেন না এবং সব সময় আপনার আসল ছবিটি ব্যাবহার করুন। কাজ করা বলতে ফটোশপ এর দ্বারা উজ্জ্বল করা বা আরও সুন্দর করার চেষ্টা করবেন না । আপনার ছবিটি যেমন উঠেছে ঠিক তেমন ছবি ব্যাবহার করুন। অনেকে আছে যারা তাদের ছবির জায়গায় কার্টুন এবং অন্য জিনিসের ছবি দিয়ে থাকে। ভুলেও এই কাজটি করবেন না। এবার আপনি যে ছবিটা তুলবেন এবং আপনার প্রোফাইলে দিবেন সেটা যেন ৬০% আপনার চেহারা দেখা যায় এবং ৪০% শরীর। ওডেস্ক কিছু দিন আগে বিষয়টি আলোচনা করেছে। এবং আপনি যে ছবি আপনার প্রোফাইলে ব্যাবহার করবেন সেই ছবি আপনার জিটক,স্ক্যাইপ এবং অন্যআন্য যোগাযোগের স্থানে ব্যাবহার করুন। এতে করে আপনার ক্লাইন্ট আপনাকে সহজে চিনতে পারবে।
     নাম


সব বায়ার চাই ভাল, সৎ, নির্ভরযোগ্য একজনকে। তাই নাম একটি অতি গুরপ্তপুর্ন বিষয়। এটা বায়ারকে এম্প্রেস করার ভাল উপায়। অনেক ফ্রিলাঞ্চার আছে যারা তাদের আসল নাম ব্যাবহার করে না। এটা খুব ভাল অভ্যাস না এটা একটা বড় ধরণের খারাপ অভ্যাস। তাই আপনার আসল নামটা ব্যাবহার করুন যাতে বায়ার আপনাকে খুব ভাল ভাবে চিনতে পারে। আপনার নাম যদি বড় হয়ে থাকে তাহলে আপনাকে তা অবশ্যয় ছোট করে নিতে হবে বা আপনাকে এমন নাম ব্যাবহার করতে হবে ব্যারের বলতে এবং মনে রাখতে সাহায্য করে। যেমন আমার নাম তাইফুর রহমান সুজন এখানে আমাকে এমন্ন একটি নাম ব্যাবহার করতে হবে কাতে করে ব্যারের মনে থাকে এবং বলতে পারে। নাম সিলেক্ট এর ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যয় একবার চেক করে নিতে হবে যে ধরণের নাম বায়ার বা মনে রাখতে পারে। কিন্তু আপনি যদি আপনার নাম আগে থেকে ব্যাবহার করে থাকেন তাহলে তা পরিবর্তন করা সম্ভব না তাই বায়ার বা অন্য কারো সাথে চ্যাট করার পর আপনি যে নামতি পছন্দ করেন তা ব্যাবহার করুন।
টাইটেল
এমন সব টাইটেল ব্যাবহার করুন যা আপনি সত্যি জানেন এবং আপনি করতে আগ্রহি। এমন কিছু এড করবেন না যে কাজের প্রতি আপনার কোন ইন্টারেস্ট নেই।
স্কিল
যে স্কেল আপনি জানেন সেগুল এড করুন।  যতটা সম্ভব কমস্কেল ব্যাবহার করুন। বেশি স্কেল ব্যাবহার করলে ক্লাইন্ট বিরক্ত হতে পারে। তাই কম স্কিল ব্যাবহার করুন যা আপনি সত্যি জানেন।
ওভারভিউ


ওভারভিউ লেখাটা খুব একটা শক্ত কাজ , আবার জার ওভারভিউ ভাল তার কাজ পাওয়ার আসংখা খুব বেশি। ওভারভিউ লিখতে গিয়ে অনেক ফ্রিলাঞ্চার দ্বিধায় পড়ে যায়। তাই যেভাবে ওভারভিউ লিখতে হবেঃ
আমার মনে কিছু কাজ মাথায় রেখে আপনি যদি আপনার ওভারভিউ লেখেন তাহলে আপনার ওভারভিউটা নিঃসন্দেহে ভাল হবে। যেমন আপনার ওভারভিউ এ এমন কিছু লিখুন যা বায়ার আপনার  সাথে জানতে চাই, এবং জানার পর আপনাকে হায়ার করে থাকে। যেমন আপনি লিখতে পারেন আপনার কাজের সার্ভিস কেমন, আপনি কতটা সৎ , কর্মনিষ্ঠ, এমং নির্ভরযোগ্য। কখন বায়ার কে আপনি সরাসরি বলবেন আন আপনি সৎ বা কর্মনিষ্ঠ এতে করে ক্লাইন্ট বা বায়ার দ্বিধায় পড়ে যাবে। আপনার লেখার ভিতর এমন কিছু লিখুন যাতে ক্লাইন্ট বা বায়ার বুজতে পারে আপনি সৎ এবং কর্মনিষ্ঠ। আরও একটি জিনিস আপনি যোগ করতে পারেন যে আপনি কতক্ষণ অনলাইনে থাকেন। এলাঞ্চে আলাদা একটি উপায় আছে আপনি ওভারভিউ থেকে  সর্ট ডেসক্রিপশন ব্যাবহার করুন। আপনাকে এই সকল কিছু ইংরেজিতে করতে হবে তাই আপনি সহজ ইংরেজি ব্যাবহার করুন কারন আপনার প্রোফাইল ইংরেজ বায়াররাও দেখবে এবং নন ইংরেজিরা দেখবে। আপনার যদি ইংরেজি লিখতে ভাল না লাগে তাহলে আপনি আপনার বন্ধুর সাহায্য নিতে পারেন বা grammarly.com এর সাহায্য নিতে পারেন সব লেখার পর আপনি আরও একবার চেক করে নিন যদি কোন বানান ভুল হয়ে থাকে বা গ্রামারের ভুল থাকে সেটা ঠিক করে নিন।
পোর্টফলিও
পোর্টফলিও  মানে আপনি কি কি কাজ করেছেন তার স্যাম্পল। অনেক ফ্রিলাঞ্চার এর প্রোফাইল দেখা যায় তারা কাজ করে এস ই ও এর কিন্তু তাদের পোর্টফলিওতে লোগোর ছবি দিয়ে রেখেছেন এটা কখন করা ঠিক নয় আপনি যে কাজটি করেছেন ঠিক সেই কাজের পোর্টফলিও যোগ করুন। আপনি এর জন্য সিনাপসর্ট,কাজের লিঙ্ক এবং আপনি যে কাজটি করেছেন তার সম্বন্ধে লিখতে পারেন।
স্কিল টেস্ট

স্কিল টেস্ট এটা আপনার জন্য খুব গুরপ্তপুর্ন বিষয় কারন আপনি যেহেতু  নতুন তাই আপনাকে প্রমান করার জন্য স্কিল টেস্ট ভাল একটি মাধ্যম। আপনার যদি স্কিল টেস্ট দেয়ার পর অনেক পাস রেজাল্ট থাকে তার মানে আপনি কাজটি পারেন কিন্তু আপনার কোন অভিজ্ঞতা নেই। তাই যতটা সম্ভব স্কিল টেস্ট দিতে থাকুন।

লেখাপড়ার সনদ, কাজের রেজাল্ট

লেখাপড়ার সনদ, কাজের ইতিহাস যতটা আপনার আছে তা সব যোগ করুন। আর তা যোগ করুন আপনার খুশি মত মানে এটা আপনার কাজের সাথে মিল না থাকলেও চলবে। কিন্তু আপনি কখন এমন কিছু যোগ করবেন না যা আপনি জানেন না বা আপনার নেই।
ফিডব্যাক
যেহেতু আপনি নতুন তাই আমার মনে হয় আপনার কোন ফিডব্যাক নেই যদি থাকে তাহলে আপনি তা রিভিউ করুন এটি আপনাকে কাজ পেতে সাহায্য করতে পারে।

এবার যেটা দ্বিতীয়  গুরপ্তপুর্ন বিষয় সেটা দেখা যাক।
কিভাবে কভার লেটার বা যব অপ্লিকেশন করবেন

এটা আপনার কাজ পাওয়ার জন্য দ্বিতীয় গুরপ্তপুর্ন বিষয় আর তা হচ্ছে  আপনার যব অপ্লিকেশন লেখা।
যা যা করবেন এবং করবেন নাঃ
কখন কারো যব অপ্লিকেশন কপি করে দেবেন না কারন এটি একটি  বাজে অভ্যাস এবং এটি করার ফলে আপনার সম্বন্ধে  মার্কেটপ্লেসে খারাপ ধারনার সৃষ্টি হবে। আবার আপনাকে ব্যান করে দিতে পারে।
কভার লেটার লেখার সময় কখন আপনার পার্সোনাল আইডি দিবেন না যেমন আপনার মোবাইল নাম্বার,ইমেইল এড্রেস, স্ক্যাইপ এড্রেস প্রভৃতি। আপনি এতে ব্যান হতে পারেন। আপনি এচ্ছে করলে Odesk Contractor Manual দেখতে পারেন। আপনি যে কাজটি পারেন না সেই কাজের জন্য কখন যব অপ্লিকেশন পাঠাবেন না। কোন যব অপ্লিকেশন করতে হলে সেটি ভাল করে পড়ে নিন। আপনাকে যদি অনেক সময় ধরে পরতে হয় তবে তাই করুন এবং খুজে বের করার চেষ্টা করুন বায়ার আপনার কাছে কি চাই। এবং বজার চেষ্টা করুন বায়ার আপনার কাছে কি ধরণের প্রশ্ন করতে পারে। আপনি কাজের প্রসঙ্গ ছাড়া অন্য কিছু ঢোকানোর চেষ্টা করবেন না। মনে রাখবেন আপনাকে হায়ার করা হয় কারন হয়ত বায়ারের সময় নেই বা বায়ার এই কাজ সম্বন্ধে জানেনে না বা ভাল ধারনা নেয়।  অনেক কণ্টকটার আছেন যারা বলেন বা লেখেন আমি এক্সপার্ট, এটা কখন করবেন না  কারণ আপনাকে বলার দরকার নেয় আপনি আপনার কথা এবং কাজের মাধ্যমে বোঝাতে হবে আপনি এক্সপার্ট। আপনি আপনার আগের কিছু কাজের সাম্পল রাখতে পারেন। এখানে আরও একটি পথ আছে আপনি বায়ারকে কাজের সম্বন্ধে কিছু প্রশ্ন করতে পারেন কিন্তু এটা করবেন খুব সুন্দর ভাবে এবং কুর্নিশ হয়ে। যদি আপনার কোন ফিডব্যাক না থাকে তাহলে আপনি ছোট ছোট কাজ করতে পারেন এবং ফিক্সট প্রোজেক্ট ধরতে পারেন এতে করে আপনি কিছু ফিডব্যাক নিতে পারবেন। যেহেতু আপনি নতুন তাই আপনার উচিৎ কম রেটে কাজ ধরতে হবে। কিন্তু আপনি নতুন বলে খুব কম রেটে কাজ ধরবেন না এতে আপনার পরে সমস্যা
হতে পারে।
কিভাবে ক্লাইন্ট সামলাবেন
এটা খুব গুরপ্তপূর্ণ অনেক কাজ পাওয়ার জন্য। অনেক ফ্রীলাঞ্চার আছেন যারা মনে করেন এই কাজ শুধু ক্লাইন্ট এর কাজ এটা তার কাজ না , এটা ভাল অভ্যাস নয়, বায়ারের কাজ সব সময় নিজের কাজ মনে করে কাজ করতে হবে। এটা করে আপনি যদি ভাল কাজ করতে পারেন তাহলে বায়ারের লাভ হবে আর বায়ারের লাভ হলে আপনার লাভ। কিভাবে ? কারণ  বায়ার আপনার কাজে যদি উপকৃত হয় অবশ্যয় আপনাকে আবার হায়ার করবে , তাই চেষ্টা করবেন ভাল ভাবে কাজ করার। সব শেষে জেতা করবেন বায়ার বা ক্লাইন্ট এর সাথে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করবেন এবং এটি করার জন্য কাজের বায়রে কোন কথা বলবেন না, যদি বায়ার আপনাকে না জিজ্ঞাস করে। কাজের কথার মাধ্যমে সব সময় যোগাযোগ রাখুন। এর চেষ্টা করুন কাজ তাড়াতাড়ি শেষ করার যদিও আপনার ঘণ্টার কাজ হলে একটু ক্ষতি হবে, কিন্তু এতে করে আপনি বায়ারের আরও ভাল লাগতে পারে এবং আরও কাজ দিতে পারে।
আজ এতটুকু থাক আর হে আপনি সব সময় অন্যের প্রোফাইল দেখুন আর কখন  নিরাশ হবেন না যদি আপনার প্রোফাইলে কাজ না থাকে আপনি আপনার ভুলগুলো ধরার চেষ্টা করুন এবং সেগুল ঠিক করুন এতে করে আপনি কাজের প্রস্তাব পেতেও পারেন। ধন্যবাদ সবাইকে, ভাল থাকবেন।   
যদি ভুল  থাকে তাহলে কষ্ট করে জানাবেন, সংসদন করার চেষ্টা করবো






০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩

যেভাবে গুগল ক্যালেন্ডার থেকে ফ্রী এসএমএস ইভেন্ট নোটিফিকেশন সার্ভিস চালু করবেন

যেভাবে গুগল ক্যালেন্ডার থেকে ফ্রী এসএমএস ইভেন্ট নোটিফিকেশন সার্ভিস চালু করবেন

মানুষ ভুলতে পারেই বলে হইত বেঁচে আছে, না হলে একটা শিশু জন্ম নেওয়ার পরেই হইতবা কাঁদতে কাঁদতে মারা যেত, কারন মায়ের পেটে সেই সুখের জায়গার কথা যদি না ভুলতে পারত। আমার জন্মদিন আমার-ই মনে থাকেনা, বন্ধুদের মনে রাখাতো আর কঠিন। এটাকে জয় করার জন্যই গুগল ক্যালেন্ডার এসএমএস নোটিফিকেশন সার্ভিস চালু করেছে, যেখানে আপনি ঠিক ইভেন্টের আগেই এসএমএস নোটিফিকেশন পাবেন। এই সার্ভিসটা আমি অনেক দিন ধরেই ব্যাবহার করছি খুব কাজের একটা সার্ভিস, চাইলে আজ থেকে আপনিও এটা চালু করে নিতে পারেন। চলুন দেখি কিভাবে চালু করবেন এটা। আশা করি এই সার্ভিসটা চালু করার পরে আপনার ইভেন্ট ভুলে যাওয়ার সমস্যাটা লাঘব হবে।

যেভাবে এসএমএস সার্ভিস চালু করবেন
প্রথমে গুগল ক্যালেন্ডারে যান, গুগল অ্যাকাউন্ট না থাকলে সাইনআপে ক্লিক করে একটা গুগল অ্যাকাউন্ট খুলে নিন।
যাদের অ্যাকাউন্ট আছে সাইনইন করুন (গুগল ও গুগল ক্যালেন্ডারের একই ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড)
ক্যালেন্ডার সেটিংস্‌-এ ক্লিক করুন (বুঝতে সমস্যা হলে ছবি দেখে করুন)
সেটিংস্‌-এ ক্লিক করুন

মোবাইল সেটআপে ক্লিক করুন
মোবাইল সেটআপ পেজে দেশ সিলেক্ট করুন, মোবাইল নাম্বার দিন (মোবাইল নাম্বারটা অবশ্যই ইন্টারন্যাশনাল ফরম্যাটে দিবেন, মানে +৮৮ লাগাবেন)
সেন্ড ভেরিফিকেশন কোড বাটনে ক্লিক করুন
আপনার মোবাইল (যে নাম্বারটা উপরে দিলেন) চেক করুন, দেখুন এখানে গুগল থেকে একটা এসএমএস এসেছে, দেখুন ঐ এসএমএসের মধ্যে একটা কোড আছে, ঐ কোড টা ভেরিফিকেশন কোডের জায়গাই বসিয়ে দিন এবং ফিনিশ সেটআপ ও সেভে ক্লিক করুন।


এবারে ইভেন্ট ক্রিয়েট করার জন্য ক্রিয়েট বাটনে ক্লিক করুন, এখানে একটা নাম দিন (আমি ইউনিভার্সিটি লিখেছি), অ্যাডে ক্লিক করুন।

অ্যাডে ক্লিক করার পরে একটা নতুন পেজ আসবে, ওখানে শিরনামের পরে ইভেন্টের তারিখ ও সময় নির্বাচন করুন। পরের অল ডে মানে কাজটা আপনি সারাদিন ধরে করবেন। রিপিট মানে ঐ কাজটা আপনি বারে বারে সিলেক্ট করতে পারবেন, যেমন আপনার ক্লাস আছে সোম, মঙ্গল ও বুধ বারে সেক্ষেত্রে রিপিটে ক্লিক করে বার ঠিক করে ডানে ক্লিক করুন।
ইভেন্টি কোথায় ও বর্ণনা লিখুন, এই দুইটাই আপনি আপনার এসএমএসে আসবে। ডান পাশের অ্যাড মানে আপনি আপনার ফ্রেন্ডের সাথেও এটা শেয়ার করতে পারেন, অ্যাডের নিচেরটা প্রাইভেসি সেটিং।
ইভেন্টের কালার মানে ক্যালেন্ডারে এই ইভেন্টটা যে কালারে দেখাবে। রিমাইন্ডারে এসএমএস সিলেক্ট করে, ইভেন্টের কতক্ষণ আগে এসএমএস পেতে চাচ্ছেন সেটা নির্বাচন করুন।
শো মি এজ এবং প্রাইভেসি অপশন গুলো আপনার ইচ্ছা মত সিলেক্ট করুন। উপরের লাল কালারের সেভ বাটনে ক্লিক করুন।

সেভ বাটনে ক্লিক করার পরে দেখুন ইভেন্টটা আপনার ক্যালেন্ডারে যোগ হয়ে গেছে, এই ভাবেই ইচ্ছা মত যোগ করে নিন, এর পরে থেকে এসএমএস পেতে থাকবেন।
আপনি যদি ইভেন্টটা এডিট বা ডিলিট করতে চান, সেক্ষেত্রে ক্যালেন্ডারে ইভেন্টের উপরে ক্লিক করুন এবং এডিট বা ডিলিটে ক্লিক করুন।


বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ
১। ইভেন্টটা কোথায় ও বর্ণনা ১২০অক্ষরের মধ্যে লিখুন, গুগল স্ট্যান্ডার্ড এসএমএস (১৬০ অক্ষর) সাপোর্ট করে। এর বেশি হয়ে গেলে ঐ ইভেন্টের এসএমএস আসবে না।
২। বাংলাদেশের জন্য প্রতিদিন ৩টা পর্যন্ত এসএমএস নোটিফিকেশন পাবেন, এর উপরে গুগল এলাউ করে না, গুগল সেটা কে স্প্যাম হিসাবে গণ্য করে।

৩। এই এসএমএস সার্ভিসের সকল দায় ও দায়িত্ব গুগল ইনকর্পোরেট ইউএসের, এর সাথে আমাদের কোন রকম সম্পৃক্ততা নাই।