BREAKING NEWS
ফ্রীলাঞ্চিং টিউটোরিয়াল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ফ্রীলাঞ্চিং টিউটোরিয়াল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২৭ নভেম্বর ২০১৩

কিভাবে ওডেস্ক ও ফ্রিলাঞ্চারে প্রথম প্রোজেক্ট পাওয়া যায়

kivabe odesk ba freelancare kaj paoya jayঅনলাইলে যে টাকা আয় করা সম্ভব তা হয়ত অনেকে জানেন। এবং বর্তমানে অনেকে টাকা আয় করা শুরু করে দিয়েছেন। আমাদের এই অনলাইনে কাজ করাকে ফ্রিলাঞ্চিং,আউটনসোর্চিং বলা হয়। 
বর্তমানে বাংলাদেশ,পাকিস্তান,ফিলিপাইন,ইন্ডিয়া ইতাদি দেশগুলোতে অউটসোর্চিং একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হয়ে উঠেছে। বাড়িতে বসে বা ঘরে বসে টাকা আয় করা যায় বলে এর জনপ্রিয়তা এতটা বেশি। ঘরে বসে টাকা আয় করার এটা একটি ভাল মাধ্যম। যেমন এটা করতে হলে বাইরে কোন জাগায় যেতে হয় না আবার সাধারন চাকরির থেকে এতে অনেক বেশি টাকা আয় করা সম্ভব। এই কাজ গুলো যেহেতু ইন্টারনেট ভিত্তিক তাই যুবক এবং কিশোর এই পেশায় বেশি নিয়োজিত হচ্ছে। আমিও একজন ফ্রিলাঞ্চার এবং একটি প্রতিষ্ঠান থেকে সম্পূর্ণ ফ্রি শিখেছি। এবং আমি বর্তমানে সেখানে কাজ শিখছি। প্রতিষ্ঠানের নাম UNIQUE SOFT BD (uniquesoftbd.com)


অনেকে হয়ত আর টিভিতে আমাদের সাক্ষাৎকার দেখেছেন। ফ্রিলাঞ্চিং,আউটনসোর্চিং সম্বন্ধে বলতে গেলে অনেকে এখন এর দিকে ঝুকে পরছে কিন্তু ভাল দক্ষতা এবং ভালোভাবে না জানার কারনে অনেকে এই কাজ থেকে সরে যাওয়ার মত কাজ করছে। তারা মনে করেন এখান থেকে ভাল টাকা আয় করা সম্ভব নয়। আবার যারা এই কাজে এখন নিজুক্ত আছেন কিন্তু কোন কাজ পাচ্ছেন না তাদের জন্য আজকের লেখা।
যারা ফ্রিলাঞ্চিং,আউটনসোর্চিং এ নতুন তাদের সব চাইতে বড় যে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় তা হচ্ছে, প্রথমে ভাল মত ইংরেজি না জানা এবং দ্বিতীয় হচ্ছে কিভাবে সহজে প্রথম প্রোজেক্ট পাওয়া যাবে। তো আজকে ফ্রিলাঞ্চিং,আউটনসোর্চিং এ কিভাবে প্রথম প্রোজেক্ট পাওয়া যায়এটা নিয়ে লিখব


ফ্রিলাঞ্চ, ফ্রিলাঞ্চার,ফ্রিলাঞ্চিং  এর মানে দাড়ায় নিজেকে এমপ্লয়ার করা। এর কাজ অনেক প্রোজেক্ট এর সাথে কাজ করা কোন একটি কোম্পানির সাথে না। ফ্রিলাঞ্চারা হচ্ছে স্বাধীন পেশাজীবী বা মুক্ত পেশাজীবী।
ফ্রিলাঞ্চার কথাটি প্রথম ব্যাবহার করেন স্যার ওয়াল্টার স্কট, আয়ভেনহো (১৮২০)। মেডিইভাল মারচেনারি ওয়ারিওর  আর ফ্রিলাঞ্চ। এর মানে যোদ্ধা কোনদিন কোন জমিদারের সেবা গ্রহন করবে না। আবার বিনামুল্যে কোন কাজ করবেনা।
এবার  ফ্রিলাঞ্চিং,আউটনসোর্চিং সম্বন্ধে বলা যাক। ফ্রিলাঞ্চিং,আউটনসোর্চিং প্রায় এক। তাও কিছুটা পার্থক্য আছে যেমন ফ্রিলাঞ্চিং মানে নিজেকে এমপ্লয়ার করা এর আউটনসোর্চিং এর মানে অন্য কার  কাজ নিজে করে দেওয়া।
কিভাবে ফ্রিলাঞ্চিং,আউটনসোর্চিং চাকরি পাবেন বা প্রোজেক্ট পাবেন।
অনেক ভাল ভাল ফ্রিলঞ্চারা লক্ষ করে দেখবেন তাদের এখন অনেক কাজ আছে আবার বিকালে বা কিছুক্ষণ পরে না থাকতে পারে। আবার একমাসে অনেক টাকা আয় হয় আবার পরের মাসে কিছু হয় না।
তাই ওডেস্ক ওয়েবইনারে তারা বলছে একসাথে অনেক কাজ করতে। অনেকে বলতে পারেন একটা প্রোজেক্ট তো পাওয়া যায় না অনেক কিভাবে পাব। তাদের বলছি, ফ্রিলাঞ্চিং এর মানে নিজেকে মার্কেটিং করা যে জত নিজেকে মার্কেটিং করতে পারবে সে অনেক বেশি প্রোজেক্ট পাবে। আর নিজেকে মার্কেটিং করতে হলে জা জা করতে হবে তা হচ্ছে।
এর তিনটা ধাপ আছে এগুলা করলে প্রোজেক্ট পাওয়ার সম্ভবনা অনেক বেড়ে যায়। প্রথম যেটা করতে হবে
একটি ভাল মানের প্রোফাইল তৈরি করতে হবে। দ্বিতীয় যেটা  সেটা হচ্ছে কভার লেটার এবং সব শেষে ক্লাইন্ট ম্যানেজমেন্ট।
কিভাবে ভাল মানের প্রোফাইল তৈরি করবেনঃ 
ভালমানের প্রোফাইল তৈরি করতে পারলে আপনার কাজ পাওয়ার আসংখা  অনেক বেড়ে যায়। প্রায় ৫০-৬০% কাজ পাওয়া যায় প্রোফাইলের উপর ভিত্তি করে। তাই প্রোফাইল একটা ভাল বিষয় কাজ পাওয়ার জন্য।
তাছাড়া একটি প্রোফাইলে অনেক উপাদান থাকে যেমনঃ  ছবি, নাম, টাইটেল, স্কিল, ওভারভিউ, পোর্টফলিও, স্কিল টেস্ট, পড়াশোনার সনদপত্র, যব হিস্টরি, ফিডব্যাক, ইত্যাদি।
ছবি
আপনার ছবিটিতে কোন কাজ করবেন না এবং সব সময় আপনার আসল ছবিটি ব্যাবহার করুন। কাজ করা বলতে ফটোশপ এর দ্বারা উজ্জ্বল করা বা আরও সুন্দর করার চেষ্টা করবেন না । আপনার ছবিটি যেমন উঠেছে ঠিক তেমন ছবি ব্যাবহার করুন। অনেকে আছে যারা তাদের ছবির জায়গায় কার্টুন এবং অন্য জিনিসের ছবি দিয়ে থাকে। ভুলেও এই কাজটি করবেন না। এবার আপনি যে ছবিটা তুলবেন এবং আপনার প্রোফাইলে দিবেন সেটা যেন ৬০% আপনার চেহারা দেখা যায় এবং ৪০% শরীর। ওডেস্ক কিছু দিন আগে বিষয়টি আলোচনা করেছে। এবং আপনি যে ছবি আপনার প্রোফাইলে ব্যাবহার করবেন সেই ছবি আপনার জিটক,স্ক্যাইপ এবং অন্যআন্য যোগাযোগের স্থানে ব্যাবহার করুন। এতে করে আপনার ক্লাইন্ট আপনাকে সহজে চিনতে পারবে।
     নাম


সব বায়ার চাই ভাল, সৎ, নির্ভরযোগ্য একজনকে। তাই নাম একটি অতি গুরপ্তপুর্ন বিষয়। এটা বায়ারকে এম্প্রেস করার ভাল উপায়। অনেক ফ্রিলাঞ্চার আছে যারা তাদের আসল নাম ব্যাবহার করে না। এটা খুব ভাল অভ্যাস না এটা একটা বড় ধরণের খারাপ অভ্যাস। তাই আপনার আসল নামটা ব্যাবহার করুন যাতে বায়ার আপনাকে খুব ভাল ভাবে চিনতে পারে। আপনার নাম যদি বড় হয়ে থাকে তাহলে আপনাকে তা অবশ্যয় ছোট করে নিতে হবে বা আপনাকে এমন নাম ব্যাবহার করতে হবে ব্যারের বলতে এবং মনে রাখতে সাহায্য করে। যেমন আমার নাম তাইফুর রহমান সুজন এখানে আমাকে এমন্ন একটি নাম ব্যাবহার করতে হবে কাতে করে ব্যারের মনে থাকে এবং বলতে পারে। নাম সিলেক্ট এর ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যয় একবার চেক করে নিতে হবে যে ধরণের নাম বায়ার বা মনে রাখতে পারে। কিন্তু আপনি যদি আপনার নাম আগে থেকে ব্যাবহার করে থাকেন তাহলে তা পরিবর্তন করা সম্ভব না তাই বায়ার বা অন্য কারো সাথে চ্যাট করার পর আপনি যে নামতি পছন্দ করেন তা ব্যাবহার করুন।
টাইটেল
এমন সব টাইটেল ব্যাবহার করুন যা আপনি সত্যি জানেন এবং আপনি করতে আগ্রহি। এমন কিছু এড করবেন না যে কাজের প্রতি আপনার কোন ইন্টারেস্ট নেই।
স্কিল
যে স্কেল আপনি জানেন সেগুল এড করুন।  যতটা সম্ভব কমস্কেল ব্যাবহার করুন। বেশি স্কেল ব্যাবহার করলে ক্লাইন্ট বিরক্ত হতে পারে। তাই কম স্কিল ব্যাবহার করুন যা আপনি সত্যি জানেন।
ওভারভিউ


ওভারভিউ লেখাটা খুব একটা শক্ত কাজ , আবার জার ওভারভিউ ভাল তার কাজ পাওয়ার আসংখা খুব বেশি। ওভারভিউ লিখতে গিয়ে অনেক ফ্রিলাঞ্চার দ্বিধায় পড়ে যায়। তাই যেভাবে ওভারভিউ লিখতে হবেঃ
আমার মনে কিছু কাজ মাথায় রেখে আপনি যদি আপনার ওভারভিউ লেখেন তাহলে আপনার ওভারভিউটা নিঃসন্দেহে ভাল হবে। যেমন আপনার ওভারভিউ এ এমন কিছু লিখুন যা বায়ার আপনার  সাথে জানতে চাই, এবং জানার পর আপনাকে হায়ার করে থাকে। যেমন আপনি লিখতে পারেন আপনার কাজের সার্ভিস কেমন, আপনি কতটা সৎ , কর্মনিষ্ঠ, এমং নির্ভরযোগ্য। কখন বায়ার কে আপনি সরাসরি বলবেন আন আপনি সৎ বা কর্মনিষ্ঠ এতে করে ক্লাইন্ট বা বায়ার দ্বিধায় পড়ে যাবে। আপনার লেখার ভিতর এমন কিছু লিখুন যাতে ক্লাইন্ট বা বায়ার বুজতে পারে আপনি সৎ এবং কর্মনিষ্ঠ। আরও একটি জিনিস আপনি যোগ করতে পারেন যে আপনি কতক্ষণ অনলাইনে থাকেন। এলাঞ্চে আলাদা একটি উপায় আছে আপনি ওভারভিউ থেকে  সর্ট ডেসক্রিপশন ব্যাবহার করুন। আপনাকে এই সকল কিছু ইংরেজিতে করতে হবে তাই আপনি সহজ ইংরেজি ব্যাবহার করুন কারন আপনার প্রোফাইল ইংরেজ বায়াররাও দেখবে এবং নন ইংরেজিরা দেখবে। আপনার যদি ইংরেজি লিখতে ভাল না লাগে তাহলে আপনি আপনার বন্ধুর সাহায্য নিতে পারেন বা grammarly.com এর সাহায্য নিতে পারেন সব লেখার পর আপনি আরও একবার চেক করে নিন যদি কোন বানান ভুল হয়ে থাকে বা গ্রামারের ভুল থাকে সেটা ঠিক করে নিন।
পোর্টফলিও
পোর্টফলিও  মানে আপনি কি কি কাজ করেছেন তার স্যাম্পল। অনেক ফ্রিলাঞ্চার এর প্রোফাইল দেখা যায় তারা কাজ করে এস ই ও এর কিন্তু তাদের পোর্টফলিওতে লোগোর ছবি দিয়ে রেখেছেন এটা কখন করা ঠিক নয় আপনি যে কাজটি করেছেন ঠিক সেই কাজের পোর্টফলিও যোগ করুন। আপনি এর জন্য সিনাপসর্ট,কাজের লিঙ্ক এবং আপনি যে কাজটি করেছেন তার সম্বন্ধে লিখতে পারেন।
স্কিল টেস্ট

স্কিল টেস্ট এটা আপনার জন্য খুব গুরপ্তপুর্ন বিষয় কারন আপনি যেহেতু  নতুন তাই আপনাকে প্রমান করার জন্য স্কিল টেস্ট ভাল একটি মাধ্যম। আপনার যদি স্কিল টেস্ট দেয়ার পর অনেক পাস রেজাল্ট থাকে তার মানে আপনি কাজটি পারেন কিন্তু আপনার কোন অভিজ্ঞতা নেই। তাই যতটা সম্ভব স্কিল টেস্ট দিতে থাকুন।

লেখাপড়ার সনদ, কাজের রেজাল্ট

লেখাপড়ার সনদ, কাজের ইতিহাস যতটা আপনার আছে তা সব যোগ করুন। আর তা যোগ করুন আপনার খুশি মত মানে এটা আপনার কাজের সাথে মিল না থাকলেও চলবে। কিন্তু আপনি কখন এমন কিছু যোগ করবেন না যা আপনি জানেন না বা আপনার নেই।
ফিডব্যাক
যেহেতু আপনি নতুন তাই আমার মনে হয় আপনার কোন ফিডব্যাক নেই যদি থাকে তাহলে আপনি তা রিভিউ করুন এটি আপনাকে কাজ পেতে সাহায্য করতে পারে।

এবার যেটা দ্বিতীয়  গুরপ্তপুর্ন বিষয় সেটা দেখা যাক।
কিভাবে কভার লেটার বা যব অপ্লিকেশন করবেন

এটা আপনার কাজ পাওয়ার জন্য দ্বিতীয় গুরপ্তপুর্ন বিষয় আর তা হচ্ছে  আপনার যব অপ্লিকেশন লেখা।
যা যা করবেন এবং করবেন নাঃ
কখন কারো যব অপ্লিকেশন কপি করে দেবেন না কারন এটি একটি  বাজে অভ্যাস এবং এটি করার ফলে আপনার সম্বন্ধে  মার্কেটপ্লেসে খারাপ ধারনার সৃষ্টি হবে। আবার আপনাকে ব্যান করে দিতে পারে।
কভার লেটার লেখার সময় কখন আপনার পার্সোনাল আইডি দিবেন না যেমন আপনার মোবাইল নাম্বার,ইমেইল এড্রেস, স্ক্যাইপ এড্রেস প্রভৃতি। আপনি এতে ব্যান হতে পারেন। আপনি এচ্ছে করলে Odesk Contractor Manual দেখতে পারেন। আপনি যে কাজটি পারেন না সেই কাজের জন্য কখন যব অপ্লিকেশন পাঠাবেন না। কোন যব অপ্লিকেশন করতে হলে সেটি ভাল করে পড়ে নিন। আপনাকে যদি অনেক সময় ধরে পরতে হয় তবে তাই করুন এবং খুজে বের করার চেষ্টা করুন বায়ার আপনার কাছে কি চাই। এবং বজার চেষ্টা করুন বায়ার আপনার কাছে কি ধরণের প্রশ্ন করতে পারে। আপনি কাজের প্রসঙ্গ ছাড়া অন্য কিছু ঢোকানোর চেষ্টা করবেন না। মনে রাখবেন আপনাকে হায়ার করা হয় কারন হয়ত বায়ারের সময় নেই বা বায়ার এই কাজ সম্বন্ধে জানেনে না বা ভাল ধারনা নেয়।  অনেক কণ্টকটার আছেন যারা বলেন বা লেখেন আমি এক্সপার্ট, এটা কখন করবেন না  কারণ আপনাকে বলার দরকার নেয় আপনি আপনার কথা এবং কাজের মাধ্যমে বোঝাতে হবে আপনি এক্সপার্ট। আপনি আপনার আগের কিছু কাজের সাম্পল রাখতে পারেন। এখানে আরও একটি পথ আছে আপনি বায়ারকে কাজের সম্বন্ধে কিছু প্রশ্ন করতে পারেন কিন্তু এটা করবেন খুব সুন্দর ভাবে এবং কুর্নিশ হয়ে। যদি আপনার কোন ফিডব্যাক না থাকে তাহলে আপনি ছোট ছোট কাজ করতে পারেন এবং ফিক্সট প্রোজেক্ট ধরতে পারেন এতে করে আপনি কিছু ফিডব্যাক নিতে পারবেন। যেহেতু আপনি নতুন তাই আপনার উচিৎ কম রেটে কাজ ধরতে হবে। কিন্তু আপনি নতুন বলে খুব কম রেটে কাজ ধরবেন না এতে আপনার পরে সমস্যা
হতে পারে।
কিভাবে ক্লাইন্ট সামলাবেন
এটা খুব গুরপ্তপূর্ণ অনেক কাজ পাওয়ার জন্য। অনেক ফ্রীলাঞ্চার আছেন যারা মনে করেন এই কাজ শুধু ক্লাইন্ট এর কাজ এটা তার কাজ না , এটা ভাল অভ্যাস নয়, বায়ারের কাজ সব সময় নিজের কাজ মনে করে কাজ করতে হবে। এটা করে আপনি যদি ভাল কাজ করতে পারেন তাহলে বায়ারের লাভ হবে আর বায়ারের লাভ হলে আপনার লাভ। কিভাবে ? কারণ  বায়ার আপনার কাজে যদি উপকৃত হয় অবশ্যয় আপনাকে আবার হায়ার করবে , তাই চেষ্টা করবেন ভাল ভাবে কাজ করার। সব শেষে জেতা করবেন বায়ার বা ক্লাইন্ট এর সাথে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করবেন এবং এটি করার জন্য কাজের বায়রে কোন কথা বলবেন না, যদি বায়ার আপনাকে না জিজ্ঞাস করে। কাজের কথার মাধ্যমে সব সময় যোগাযোগ রাখুন। এর চেষ্টা করুন কাজ তাড়াতাড়ি শেষ করার যদিও আপনার ঘণ্টার কাজ হলে একটু ক্ষতি হবে, কিন্তু এতে করে আপনি বায়ারের আরও ভাল লাগতে পারে এবং আরও কাজ দিতে পারে।
আজ এতটুকু থাক আর হে আপনি সব সময় অন্যের প্রোফাইল দেখুন আর কখন  নিরাশ হবেন না যদি আপনার প্রোফাইলে কাজ না থাকে আপনি আপনার ভুলগুলো ধরার চেষ্টা করুন এবং সেগুল ঠিক করুন এতে করে আপনি কাজের প্রস্তাব পেতেও পারেন। ধন্যবাদ সবাইকে, ভাল থাকবেন।   
যদি ভুল  থাকে তাহলে কষ্ট করে জানাবেন, সংসদন করার চেষ্টা করবো






০২ সেপ্টেম্বর ২০১৩

How to Solve Bangla Font Problems

For XP and Vista Users: Download Font

Copy and Paste it to Fonts folder (just follow: Start > Settings > Control Panel > Fonts or Start > Run > write Fonts and Ok or C drive > Windows > Fonts)
There might be some problem like broken Bangla Text in some browser. For that case you have to install iComplex.
Open that iComplex Installer
Click on Run
Click on Install Complex Scripts
Click on Yes (Before Clicking Yes please close the opened applications, because after clicking yes the computer will restart)
After restart hopeful font problem will be solved.

For Mac Users: Download Font and configure it according to Mac Operating System.
After all configuration, if you feel that Bangla is not showing well on your browser, you can Configure your Browser.
Bangla Configuration for Mozilla Firefox
Open Mozilla Firefox, Click on Tools and Select Options
From that new window click on Contents tab
Click on Advanced button in Fonts & Colors selection
On Serif, Sans-Serif, and Monospace option select SolaimanLipi. Click on Ok.
On the Languages option click on Choose… button (on the Content Tab)
On drop down menu select Bengali [bn] and click on Add.

Bangla Configuration for Google Chrome
Open Google Chrome, Click on Chrome Settings and Settings. Click on advanced settingsundefined
On the Web Content option, Click on Customize Fonts
On Standard font, Serif font, Sans-serif font, Fixed-width font option selectSolaimanLipi. Click on Ok.
On Languages option, click on Languages and spell-checker settings
Click on Add, select Bengali – বাংলা from drop down menu, and click on Ok.

For Android Users: এন্ড্রয়েডে বাংলা পড়বেন যেভাবে
For Mobile (Opera Mini) Users: if your mobile does not support Bangla font, just follow those instruction.
Open Opera Mini, if you don’t have Download Opera Mini
Type opera:config on the address bar (no http:// please) and press Ok
Find the option Use bitmap fonts for complex scripts and make it Yes and click on Save.
* This simple installer is developed by OmicronLab.

যেভাবে মোবাইল বা পিসি থেকে বাংলাদেশসহ বিশ্বের যেকোন দেশে ফ্রী কল করবেন

বাংলাদেশে চাল, ডাল, সবজির দাম বাড়লেও আমার জানামতে একটা জিনিষের দাম আমাদের হাতের নাগালের মধ্যেই আছে তা হল মোবাইলের কল রেট, আশা করি আপনারাও আমার সাথে একমত। আমার খুব ভাল মনে আছে, ২০০২ সালের ঘটনা আমি তখন ঢাকাতে ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছি, তখন ঢাকা থেকে মেহেরপুরে টি অ্যান্ড টি তে ফোন দিতাম প্রতি মিনিট ২৫ টাকা, তাও আবার ২ ঘণ্টা চেষ্টা করে একবার লাইন পেতাম। তখন চালের দাম ছিল খুব সম্ভবত ১২-১৪ টাকা (চালের দামের তারতম্য হতে পারে), এখন যেখানে চালের দাম ৫২-৫৫ টাকা সেখানে মোবাইল কল রেট ২৫ পয়সা প্রতি মিনিট তাও আবার সারা বাংলাদেশ। আর টি অ্যান্ড টি লোকাল কল ১০ পয়সা। তাহলে আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতেই পারে, কল রেট যখন হাতের নাগালে আছেই তখন আবার এই লেখার প্রয়োজন কোথায়? আসুন আরেকটা বাস্তব ঘটনা বলি (টিপসটি ছোটতো তাই একটু গল্প বলে সময় কাটায়) গত সপ্তাহে আমার এক বন্ধু (নান্নু) রাত ২ টার দিকে ফোন দিয়ে বলে, সে নাকি ভারতীয় তাঁর এক বন্ধুর এয়ারটেল নাম্বারে ফোন দিয়েছিল, বাংলাদেশি এয়ারটেল নাম্বার থেকে। তাদের কথা হয়েছে মাত্র ২ মিনিট ৩১ সেকেন্ড আর কেটেছে ১,৮৯০ টাকা! এটা কি করে সম্ভব তাই না? আমার জানামতে এটাও সম্ভব, বাংলাদেশেরই ৬ টা টি অ্যান্ড টি নাম্বার আছে যাতে ৬০০ টাকা মিনিট প্রতি কাটে, যে নাম্বার গুলো জাহাজে থাকে (যদিও এখন মোবাইল নাম্বারকে মাইগ্রেট করা যায়), এটাতো গেল উদাহরণ, স্বাভাবিক পদ্ধতিতেই দক্ষিণ আফ্রিকাতে ফোন দিলে ৩৫ টাকা (দক্ষিণ আফ্রিকার কয়েকটা দেশে), পাশের দেশ ভারতে ফোন দিলে ২২ টাকা মতো কাটে। এই সব কিছু ভেবেই আজকের টিপসটি লিখতে বসা, আর বাঙ্গালী ফ্রী খেতেই বেশি পছন্দ করে তাই না!

ফ্রী কল করার সফটওয়্যারটির নাম হল নিমবাজ। নিমবাজের নাম হইতবা অনেকেই জানেন। নিমবাজ মূলত চ্যাটিং সফটওয়্যার, এটা দিয়ে এমএসএন, স্কাইপি, ইয়াহু, ফেসবুক, গুগল টক, এইম, মাইস্পেস, এইসিকিউ চ্যাট করা যাই। এটার মোবাইল এবং পিসির জন্য আলাদা আলাদা সফটওয়্যার আছে। এই নিমবাজ দিয়েই নিমবাজ টু নিমবাজ ফ্রী কল করা যায়, যেটা মোবাইল টু মোবাইল বা পিসি টু মোবাইল কল করা যায়। কল করার জন্য নিমবাজের অবশ্য রেজিস্ট্রেশান করে, আইডি যোগ করতে হবে এবং কল করার জন্য অবশ্যয় উভয়কেই নিমবাজে উপস্থিত (অনলাইন) থাকতে হবে। আর যে মোবাইল থেকে কল করবেন বা কল রিসিভ করবেন সেই মোবাইলটি অবশ্যয় কমপক্ষে এস৬০ (সিস ফাইল সাপোর্টেড, যেমন নোকিয়ার এন বা ই সিরিজ) হতে হবে। কারন এস৪০ (জার ফাইল সাপোর্টেড, যেমন নোকিয়া ৫১৩০) মোবাইল গুলোর সফটওয়্যারে কল অপশন থাকে না। যাদের এস৪০ সেট বা চায়না সেট তাঁরা চ্যাট করার জন্য নিমবাজ ব্যাবহার করতে পারেন, কিন্তু কল করতে পারবেন না।

নিমবাজের বৈশিষ্টসমূহঃ
  • এমএসএন, স্কাইপি, ইয়াহু, ফেসবুক, গুগল টক, এইম, মাইস্পেস, এইসিকিউ চ্যাট
  • নিমবাজ থেকে নিমবাজে ফ্রী কল
  • নিমবাজে মেসেজ পাঠানো
  • নিমবাজ থেকে নিমবাজে (মানে মোবাইল টু মোবাইল) ফটো, ভিডিও ও অন্যান্য ফাইল পাঠানো
  • প্রাপ্ত ফাইলগুলো আপনার ইনবক্সেই থাকবে, তাই এটাকে অনলাইন গ্যালারী হিসাবেও ব্যাবহার করতে পারবেন (মনে রাখবেন, ইনবক্সের মেসেজের ৬ মাস বয়স হয়ে গেলে অটো নিমবাজ ডিলিট করে দেই)
নিমবাজে আরেকটি ভাল অপশন আছে, সেটা হল আপনার মোবাইল ক্যামেরা দিয়ে ফটো তুলে পাঠাতে পারবেন (পিসির ওয়েবকেমের মতো!), নিমবাজের প্রতিটি অপশন (কল বা কথা বলাও সম্পূর্ণ ফ্রী) কিন্তু এটাতে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ কাটে, আমি এন৭১ টু পিসি, এন৭১ টু এক্স৬, এক্স৬ টু পিসিতে কল করে দেখেছি, এখানে প্রতি মিনিটে ১০০ কেবি করে কাটে (হিসাবটা সেট অনুযায়ী একটু কম বা বেশি হতে পারে), প্রতি এমবিতে ১০ মিনিট, মানে আপনি যদি জিপির ১৫ এমবি নেন আপনি কথা বলতে পারবেন ১৫০ মিনিট মতো (এমবি কিন্তু দুই পক্ষেরই আলাদা আলাদা কাটবে), ১ জিবির প্যাকেজ বা বিদেশে কল করলে প্রায় ফ্রী হয়ে যাবে আর যারা আনলিমিটেড প্যাকেজ বা ব্রডব্যান্ড ব্যাবহার করুন তাদের জন্য তো সোনায় সোহাগা।
নিমবাজের নতুন পিসি সফটওয়্যারে ভিডিও চ্যাটিং ও করা যায়, তাই আশা করা যায় মোবাইল সফটওয়্যারটির নতুন ভার্সন আসলেই আমরা মোবাইল দিয়ে ভিডিও চ্যাটও করতে পারব। এই সুবিধা স্কাইপিতেও আছে।

ডাউনলোড নিমবাজ সফটওয়্যারঃ ||| মোবাইলের জন্য ||| পিসির জন্য |||

ফেসবুক স্প্যাম অথবা স্প্যাম নোংরা ভিডিও পোস্ট যেভাবে ডিলিট করবেন

কয়েকমাস ধরে খেয়াল করছি স্প্যাম ভিডিও লিঙ্ক ও স্প্যাম লিঙ্ক অটো পোস্ট হয়ে যাওয়া খুব বেড়ে গেছে। আমার গতসপ্তাহে প্রায় ১৩টা বন্ধুর একই সমস্যা সমাধান করেছি। গতরাতে আমার খেয়াল হল যে আমি কত জনকে আর চিনি যারা ফেসবুক ব্যাবহার করে, তার মধ্যে যদি ১৩ জনের যদি সমস্যাটা হয়, না জানি কত নাম না জানা বন্ধুরা এই সমস্যায় পড়েছে। তাই আমার এই প্রচেষ্টা নাম জানা বা না জানা বন্ধুদের একটু উপকার করার জন্য।

ফেসবুক স্প্যাম অথবা স্প্যাম নোংরা ভিডিও পোস্ট যেভাবে ডিলিট করবেন

যেহেতু এটা স্প্যাম, তাই স্প্যামাররা কয়েক ভাবে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আসতে পারে, তাই আমাদের এটা হাত থেকে রক্ষা পেতে স্প্যামাররা যে যে ভাবে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আসতে পারে সেই সেই প্রবেশ পথ গুলো আগে বন্ধ করতে হবে, পরে স্প্যামটাকে বন্ধ করে দিলেই হবে। জানি এই কথা গুলো খুব কঠিন শুনাচ্ছে, কঠিন কিছুই না, যা করতে হবে তাতো সেই আপনার পরিচিত ফেসবুক অ্যাকাউন্টেই করতে হবে, আর স্প্যাম-কিলার হিসাবে আপনার সাথেই আছি। চলুন একটা একটা করে স্প্যাম-কিলার পদক্ষেপ গ্রহন করি।

প্রথমে আপনাকে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের অ্যাপ্লিকেশান গুলো ডিলিট করতে হবে
স্প্যামারদের মূল ঘাটি হল ফেসবুক অ্যাপ্লিকেশান। এটা কিভাবে আসে সেটাও বলি, যেমন মনে করুন আপনি আপনার এক ফেসবুক বন্ধুর এই স্প্যাম ভিডিও দেখলে ও আরও দেখার জন্য ক্লিক করলেন, ক্লিক করার সাথে সাথেই সেই অ্যাপ্লিকেশানটা আপনার অ্যাকাউন্টেও যুক্ত হয়ে যাবে। তাই আপনাকে আগে সেই অ্যাপ্লিকেশান টা ডিলিট করতে হবে, না হলে স্ট্যাটাস ডিলিট করলেও আবার স্ট্যাটাস এসে যাবে। অ্যাপ্লিকেশানটা ডিলিট করতে ফেসবুক সেটিংস্‌-এ ক্লিক করুন, লগ-আউট বাটন যেখানে আছে সেখানে, হোমের পাশে। এখানে দেখুন অ্যাকাউন্ট সেটিংস আছে, অ্যাকাউন্ট সেটিংস্‌-এ ক্লিক করুন। নতুন পেজ আসলে বামে জেনারেলের নিচে অ্যাপসে ক্লিক করুন। এখানে X বাটনে ক্লিক করে করে যে অ্যাপ্লিকেশান গুলো আপনার অপ্রয়োজনীয় সেই গুলো রিমুভ করে দেন।

অপ্রয়োজনীয় ইভেন্ট গুলো ডিলিট করুন
স্প্যামারদের ২য় পছন্দ ইভেন্ট। ফেক ইভেন্ট বানিয়ে তারা খুব দ্রুত আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ঢুকে পড়তে পারে। সেই জন্য এখন আমাদের ইভেন্ট ডিলিট করতে হবে। প্রথমে ইভেন্টে যান, ফেসবুকের হোমে, বামের বুকমার্ক বাটন গুলো মধ্যে ইভেন্ট আছে, না থাকলে এখানেই অ্যাপস এ ক্লিক করে দেখুন ইভেন্ট আছে এটাতে ক্লিক করুন। যদি তাও না পান তাহলে এখানে ক্লিক করুন। দেখুন ওখানে জন্মদিন ছাড়া আর অপ্রয়োজনীয় ইভেন্টে ক্লিক করুন দেখুন ওখানে নতুন একটা পপ-আপ উইন্ডোজ আসবে, ঐ উইন্ডোজটির নিচে দেখুন, রিমুভ ইভেন্ট বলে একটা অপশন আছে ওটা তে ক্লিক করে করে আপনার অপ্রয়োজনীয় ইভেন্ট গুলো ডিলিট করে দিন।

অপ্রয়োজনীয় ফ্যান পেজ রিমুভ করুন
ফ্যান পেজেও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশান লাগান যায়, তাই ফ্যান  পেজের মাধ্যমেও স্প্যাম আসতে পারে, তবে সব ফ্যান পেজই খারাপ না। এবারে আপনাকে আপনার লাইক করা অপ্রয়োজনীয় ফ্যান পেজ গুলো ডিলিট করতে হবে। ফেসবুক হোমের বামে একই ভাবে দেখুন পেজ বাটন আছে ওটাতে ক্লিক করুন। না পেলে এখানে ক্লিক করুন, এবং উপরে মাই পেজ-এ ক্লিক করুন। দেখুন এখানে আপনার লাইক করা পেজের তালিকা আছে। একটা একটা করে ওপেন করুন, আর বামের নিচে আনলাইক বাটনে ক্লিক করুন।

ব্রাউজারের এক্সটেন্সান বা এড-অন ডিলিট করুন
এদের মধ্যে আমি একজনের প্রোফাইলে খুব আজিব একটা সমস্যা দেখেছিলাম। সেখানে ফেসবুকে ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিলেই ইউটিউবের একটা ভিডিওতে অটো চলে যাচ্ছে। আবার নতুন একটা ট্যাবে ফেসবুক ওপেন করলাম ওপেন হচ্ছে কিন্তু লোড হওয়ার সাথে সাথেই ইউটিউব ভিডিও লোড হচ্ছে। এই ধরনের সমস্যার জন্য আপনাকে আপনার ব্রাউজারের অপ্রয়োজনীয় ইউটিউব এক্সটেন্সান বা এড-অন টি ডিলিট করতে হবে। গুগল ক্রমের জন্যঃ ক্রম সেটিং-এ ক্লিক করুন এড্রেস বারের ডানে, অপশনে ক্লিক করুন,এক্সটেন্সানে ক্লিক করুন। দেখুন এখানে ইউটিউব ভিডিও-এর অপ্রয়োজনীয় এক্সটেন্সান আছে, ওটার ডানে রিমুভ বাটন এ ক্লিক করুন। ফায়ারফক্সের জন্যঃ ফায়ারফক্সের টুলসে ক্লিক করুন দেখুন ওখানে এড-অনের একটা বাটন আছে ওটাতে ক্লিক করুন এবং এক্সটেন্সান সিলেক্ট করে ওখানে দেখুন অপ্রয়োজনীয় ইউটিউবের একটা এড-অন আছে, ওটা ডিলিট করে দিন।

স্প্যাম স্ট্যাটাসটা ডিলিট করুন
যেহেতু স্প্যাম স্ট্যাটাসটা স্ট্যাটাসে চলে গেছে তাই আমাদের শেষ কাজ হবে ঐ স্ট্যাটাসকে ডিলিট করা। আপনার ফেসবুকের হোমে বা টাইমলাইনে সেই বিখ্যাত স্ট্যাটাসটা খুজে বের করুন, যার জন্য আমাদের এতো ঝামেলা। স্ট্যাটাসের পাশে মাউস রাখলে একটা অপশন দিবে ওটাতে ক্লিক করে ডিলিট/ব্লক বাটনে ক্লিক করে ডিলিট ও ব্লক করে দিন।

আমার জানামতে ফেসবুক গ্রুপে কোন খারাপ কিছু বহন করে না। আপনি যদি চান তাহলে একই ভাবে অপ্রয়োজনীয় গ্রুপও লিভ করতে পারেন। গ্রুপ ওপেন করে দেখুন ডানে একটা সেটিং বাটন আছে ওটাতে ক্লিক করে লিভ গ্রুপে ক্লিক করে গ্রুপ থেকে লিভ করতে পারেন। ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক থেকে বাঁচার জন্য আপনার মোবাইল নাম্বার ভেরিফাই করে নিন। আর অবশ্যই ফেসবুকের ইমেইলে জায়গায় ২টা ইমেইল এড্রেস ব্যাবহার করুন। কারন হ্যাকাররা কখনই ২য় ইমেইল এড্রেসটা ডিলিট করে না। তাই হ্যাক হয়ে যাওয়ার পরেও ২য় ইমেইল এড্রেস ভেরিফাই করে ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি ফিরে পাবেন।

যেহেতু ডিলিট করতে হবে তাই কাজটা খুব সাবধানে করুন, প্রয়োজনীয় কিছু যেন ডিলিট না হয়ে যায়।

ফেসবুক কীবোর্ড শর্টকাট, ফেসবুক চ্যাট টিপ, ফেসবুক বুকমারকিং টিপ

কীবোর্ড শর্টকাট সবসময় কম্পিউটারের যেকোনো কাজকে সহজ, ও অনেক সময় বাঁচায়। আর সেটা যদি ফেসবুকের হয় তাহলে তো আর কথাই থাকেনা তাই না? আসলে ফেসবুক আমাদের (বিশেষ করে যারা নেট ব্যাবহার করি) তাদের জন্য খুব প্রয়োজনীয় জিনিস হয়ে গেছে। দেখা গেছে যদি ২ মিনিট নেট ব্যাবহার করার সুযোগ পাই তাহলে ইমেইল চেক না করে আমরা ফেসবুকই চেক করি। এমনও হয়েছে যে ছুটির দিন গুলোতে বেড়াতে না গিয়েই ফেসবুকেই দিব্বি সময় কাটিয়ে ফেলেছি। আর যারা সারাদিন ফেসবুকে থাকে তাদের কথা নাই বা বললাম। আমার মনে হয় এই টিপটি সবার খুব কাজে লাগবে।
Facebook Logo

ফেসবুকে কীবোর্ড শর্টকাট সমূহ

গুগল ক্রম ও উইন্ডোজ ব্যাবহারকারীর জন্য

শর্টকাট                বর্ণনা
Alt + 1                         হোম/নিউজ ফিড
Alt + 2                         ওয়াল ট্যাব
Alt + 3                         ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট
Alt + 4                         মেসেজ লিস্ট
Alt + 5                         নোটিফিকেশান
Alt + 6                         অ্যাকাউন্ট সেটিংস পেজ
Alt + 7                         প্রাইভেসি সেটিংস
Alt + 8                         ফ্যান/গ্রুপ পেজ
Alt + 0                         ফেসবুক হেল্প সেন্টার
Alt + m                        নিউ মেসেজ
Alt + ?                         কারছার সার্চ বক্সের দিকে যাবে

গুগল ক্রম ও ম্যাক ব্যাবহারকারীর জন্য

শর্টকাট                            বর্ণনা
Ctrl + Opt + 1             হোম/নিউজ ফিড
Ctrl + Opt + 2             ওয়াল ট্যাব
Ctrl + Opt + 3             ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট
Ctrl + Opt + 4             মেসেজ লিস্ট
Ctrl + Opt + 5             নোটিফিকেশান
Ctrl + Opt + 6             অ্যাকাউন্ট সেটিংস পেজ
Ctrl + Opt + 7             প্রাইভেসি সেটিংস
Ctrl + Opt + 8             ফ্যান/গ্রুপ পেজ
Ctrl + Opt + 0             ফেসবুক হেল্প সেন্টার
Ctrl + Opt + m                        নিউ মেসেজ
Ctrl + Opt + ?             কারছার সার্চ বক্সের দিকে যাবে

ফায়ারফক্স ও উইন্ডোজ ব্যাবহারকারীর জন্য

শর্টকাট                            বর্ণনা
Shift + Alt + 1                        হোম/নিউজ ফিড
Shift + Alt + 2                        ওয়াল ট্যাব
Shift + Alt + 3                        ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট
Shift + Alt + 4                        মেসেজ লিস্ট
Shift + Alt + 5                        নোটিফিকেশান
Shift + Alt + 6                        অ্যাকাউন্ট সেটিংস পেজ
Shift + Alt + 7                        প্রাইভেসি সেটিংস
Shift + Alt + 8                        ফ্যান/গ্রুপ পেজ
Shift + Alt + 0                        ফেসবুক হেল্প সেন্টার
Shift + Alt + m           নিউ মেসেজ
Shift + Alt + ?             কারছার সার্চ বক্সের দিকে যাবে

ফায়ারফক্স ও ম্যাক ব্যাবহারকারীর জন্য

শর্টকাট                                বর্ণনা
Ctrl + 1                        হোম/নিউজ ফিড
Ctrl + 2                        ওয়াল ট্যাব
Ctrl + 3                        ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট
Ctrl + 4                        মেসেজ লিস্ট
Ctrl + 5                        নোটিফিকেশান
Ctrl + 6                        অ্যাকাউন্ট সেটিংস পেজ
Ctrl + 7                        প্রাইভেসি সেটিংস
Ctrl + 8                        ফ্যান/গ্রুপ পেজ
Ctrl + 0                        ফেসবুক হেল্প সেন্টার
Ctrl + m                       নিউ মেসেজ
Ctrl + ?                        কারছার সার্চ বক্সের দিকে যাবে

ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ও উইন্ডোজ ব্যাবহারকারীর জন্য

শর্টকাট                            বর্ণনা
Alt+1, then Enter        হোম/নিউজ ফিড
Alt+2, then Enter        ওয়াল ট্যাব
Alt+3, then Enter        ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট
Alt+4, then Enter        মেসেজ লিস্ট
Alt+5, then Enter        নোটিফিকেশান
Alt+6, then Enter        অ্যাকাউন্ট সেটিংস পেজ
Alt+7, then Enter        প্রাইভেসি সেটিংস
Alt+8, then Enter        ফ্যান/গ্রুপ পেজ
Alt+0, then Enter        ফেসবুক হেল্প সেন্টার
Alt+m, then Enter       নিউ মেসেজ
Alt+?, then Enter        কারছার সার্চ বক্সের দিকে যাবে

সাফারি ও ম্যাক ব্যাবহারকারীর জন্য

শর্টকাট                            বর্ণনা
Ctrl + Opt + 1             হোম/নিউজ ফিড
Ctrl + Opt + 2             ওয়াল ট্যাব
Ctrl + Opt + 3             ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট
Ctrl + Opt + 4             মেসেজ লিস্ট
Ctrl + Opt + 5             নোটিফিকেশান
Ctrl + Opt + 6             অ্যাকাউন্ট সেটিংস পেজ
Ctrl + Opt + 7             প্রাইভেসি সেটিংস
Ctrl + Opt + 8             ফ্যান/গ্রুপ পেজ
Ctrl + Opt + 0             ফেসবুক হেল্প সেন্টার
Ctrl + Opt + m                        নিউ মেসেজ
Ctrl + Opt + ?             কারছার সার্চ বক্সের দিকে যাবে


ফেসবুক চ্যাট টিপ

ফেসবুক চ্যাট করতে ইচ্ছা করে ২য় লাইন লাগান যায় না, যদি বেশি লেখেন তাহলেই ২য় লাইন হয়, কারন এন্টারে চাপ দিলেই তো সেন্ড হয়ে যায়। আচ্ছা চ্যাটের বেপারে ছেড়েই দিলাম যে ২য় লাইনে না হলে পরের বারে বুঝিয়ে দিবেন। কিন্তু কমেন্টের ক্ষেত্রে আসলেই খুব খারাপ দেখায়। এরপর থেকে আর খারাপ লাগবে না আশা করি। ২য় লাইন তৈরি করুন শিফট+এন্টার (Shift + Enter) চেপে।

ফেসবুক বুকমারকিং টিপ

বারে বারে ফেসবুকে ঢুকতে হয়, আর বারে বারে Facebook.com লিখতে হয় না হলে Facebook লিখে কন্ট্রোল + এন্টার চাপতে হয়, না হলে বুকমার্ক করা আছে সেখান থেকে ঢুকতে হয়। এমন যদি হয় যে খালি fb লিখে কন্ট্রোল + এন্টার চাপলেই ফেসবুক! FB লিখে কন্ট্রোল + এন্টার চেপেই দেখুন কাজ হয় কিনা! Fb.com ও ফেসবুকের ওরা রিডাইরেক্ট করেই রেখেছে।