BREAKING NEWS
ইন্টারনেট টিপস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ইন্টারনেট টিপস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

০১ সেপ্টেম্বর ২০১৫

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial intelligence)

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন এবং সফটওয়্যার দ্বারা বিকাশিত বুদ্ধি।


কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যা আমাদের কম্পিউটার আর সফটওয়্যার কে দিন দিন উন্নত করে চলেছে । এটা নিয়ে এখন আর অনেক গবেষণা চলছে এবং এটা অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এ এর কোর্স আছে যার নাম কম্পিউটার ও সফটওয়্যারের আচরণ। জন ম্যাকাথি (John McCarthy) ১৯৫৫ সালে শব্দটি উদ্ভাবন করেছিলেন “বিজ্ঞান ও প্রকৌশল দ্বারা তৈরি বুদ্ধিমান মেশিন”
এটা এখন গভীর গবেষণা এর কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু এর সমস্যা হচ্ছে এ নিজে থেকে কিছু শিখতে পারে না যেমন শেখে একটি বাচ্চা, এর জন্য লাগে অনেক তথ্য, জ্ঞান, প্ল্যানিং সেখান, প্রাকৃতিক ভাষ এবং আর কিছু। কিন্তু আপনারা যদি চ্যাপি (CHAPPIE) মুভিটা দেখেন তাহলে বুঝতে পারবেন কিভাবে একটা রোবট কে আমাদের চারপাশ সমন্ধে, আমাদের পৃথিবী সমন্ধে সেখান হয়। আমরা লক্ষ্য করলে দেখবো আমাদের চারপাশে সব যন্ত্র কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা চলছে।



এবার আসি কিছু মজাদার বিষয়ে। আপনারা কেউ কি হার (HER) ছবিটি দেখেছেন? যদি না দেখেন তাহলে আমি কিছুটা বলছি। একজন তার কম্পিউটার সাথে মানে কম্পিউটার এর একটা মেয়ে এর সাথে কথা বলতে বলতে প্রেমে পড়ে যান। কিন্তু মেয়েটা ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা তৈরি। যদি মুভিটা দেখেন তাহলে মজাটা নিতে পারবেন। বুঝতে পারবেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি মজার। এবার বলি আইরন ম্যান এ কথা (Iron man) এবার জিজ্ঞেস করব না কেউ দেখেছেন কি না কারন এ মুভি দেখেননি এমন লক খুব কমিই আছেন। এখানে মজার যে বিষয় মানে আমার কাছে ভাল লেগেছে তা হচ্ছে জারভিস (JARVIS)  Just A Rather Very Intelligent System.  জারভিস এমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি যা টনি স্টারক এর সকল কাজ সহজ করে দেয়।


এখন যদি বলি আপনিও টনি স্টারক হতে পারবেন। মানে নাম পরিবর্তন করা লাগবে না কিন্তু তাঁর মত করে কমান্ড তো দিতে পারবেন। এখন ভাবছেন আপনার তো এত বড় ল্যাব নেই তো কি হয়ছে আপনার কম্পিউটার তো আছে। এখন বর্তমানে উইন্ডোজ ১০ এর দ্বারা অনেকে এই সুবিধা নিয়ে থাকছেন কিন্তু এখানে একটা সমস্যা আছে আপানার নেট নেয় ত আপনার করটানা নেই, মানে অন্ধকারে  নিজের ছায়াও হারিয়ে যায়।
আমি আপনাদের নেট ছাড়া কিছু বন্ধু দেব যা সব সময় আপনার সাথে থাকবে।  jarvis.ai-dot.net/ এখানে আপনি আপনার বন্ধুকে ডাউনলোড করেতে পারবেন। এবার এটাকে চালিয়ে দেখুন অনেক মজা পাবেন আপনি আপনার ইচ্ছা মত অনেক কমান্ড যোগ করতে পারবেন, আপানার অনেক কাজ দ্রুত করতে পারবেন। যেমন আপনি ফেসবুক এ যেতে চাচ্ছেন , বলুন open Facebook  বা আপনি যা সেট করতে চান জারভিস আপনাকে ফেসবুক এ নিয়ে চলে যাবে এছাড়া আপনার ফেসবুক এ যদি লগিন করা না থাকে বলুন login Facebook এবার জারভিস আপনার ইউজার নাম পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করবে। কিন্তু আপনাকে সব তথ্য তাঁর কাছে দিয়ে রাখতে হবে।




 এছারাও আপনি আর ব্যাবহার করতে পারেন ব্রাইনা (www.brainasoft.com) সফটওয়্যারটি। আসলে আমি এই পোস্টটা লিখতে গিয়ে আমাকে ব্রাইনা অনেক সাপোর্ট করেছে। কিন্তু হ্যা এটি ভয়েস দ্বারা চালাতে হলে নেট লাগবে। ব্রাইনা এর মজার ব্যাপার হচ্ছে আপনি আপনার এন্ডরইড মোবাইল এর মাধ্যমে চালাতে পারবেন আপনার ঘরের যে কোন প্রান্ত থেকে, আমার আপনি লিখেও অনেক সাহায্য নিতে পারেন। যেমন আপনার কোন কিছু সম্বন্ধে জানার দরকার আপনি ব্রাইনা কে বলুন বা লিখুন Find information on…….. আপনি যা জানতে চান। হ্যা আপনি গুগল এর সাহায্য নিতে পারেন আবার উইকিপিডিয়া তে খজ করতে পারেন কিন্তু এর দ্বারা আপনাকে সব পড়তে হবে তারপর আপনি মুল বিষয়টা বুঝবেন কিন্তু ব্রাইনা আপনাকে সুধু তাঁর সম্বন্ধে আসল ধারনা দেবে । এছারাও আবহাওয়া কেমন কইটা বাজে সব। আপনি এর দ্বারা আর অনেক কিছু করতে পারেন যেমন আপনি কার সাথে টাকা পান এটি আপনি ব্রাইনা এর সাহায্যে লিখে রাখতে পারেন যেমন বলুন বা লিখুন Note…….. এবার বলুন কার সাথে টাকা পান এবং কত টাকা বা আপনার যা ইচ্ছা তায় বলুন আপনার এইটা নোট হয়ে যাবে। এছারাও আপনি আর অনেক কিছু করতে পারবেন যেটা আসলেয় অনেক মজার।  এর কমান্ড গুলা দেখুন আসা করি অনেক ভাল লাগবে 

আর কিছু মজার সফটওয়্যার আছে যা আপনারা আপনাদের কম্পিউটারে ব্যাবহার করে দেখে পারেন। যেমন ; https://www.makoprogram.net এটিও অনেক মজার জারভিস এর মত।  http://www.guile3d.com এটাতে আপনি আনিম্যাটেড ছবি সহ দেখতে পারবেন। www.nuance.com/dragon/ এটা অনেক বড় একটি সফটওয়্যার অনেক বড় বড় কোম্পানি এর দ্বারা লেখালেখি এর কাজ করে থাকে, মানে কথা বলে আর এই সফটওয়্যার সেই কথা গুলো লিখতে থাকে। 

জারভিস এর মত করতে চাইলে এখান http://eapathy.deviantart.com/art/S-H-I-E-L-D-OS-Jarvis-Iron-Man-like-theme-410314763 থেকে থিম ডাউনলোড করে নিন। 

ধন্যবাদ। 


১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩

এন্ড্রয়েড মোবাইল সিকিউরিটি

android 10 problem
মোবাইল বাজারে এন্ড্রয়েড স্থান এখন কোথায় তা আর বলা লাগে না। সবাই এখন প্রযুক্তির ভিতর ডুবে আছে আর উধাহরন হিসাবে বলা যাই এন্ড্রয়েডের কথা। এইতো কিছু দিন আগের কথা এই এন্ড্রয়েডের জন্য আমাদের সবার পরিচিত মোবাইল কোম্পানি নোকিয়ার ইউনিট বিক্রি হয়ে গেল মাইক্রোসফট এর কাছে। এখন আপনাদের কাছে এন্ড্রয়েড অনেক জনপ্রিয় হয়েছে,এবং সাথে সাথে এর নতুনত্ব বেড়ে চলেছে। যেহেতু নতুনত্ব বাড়ছে সাথে বাড়ছে বিভিন্ন সমস্যা। এন্ড্রয়েডের সমস্যার ভিতর সব চেয়ে বড় সমস্যা এন্ড্রয়েড মোবাইল সিকিউরিটির। এই সমস্যা নিয়ে না লিখলেই না।
এবার সব থেকে প্রয়োজনীয় কিছু সিকিউরিটি সম্মন্ধে আপনাদের জানাবো।
১ আপনি আপানর এন্ড্রয়েড মোবাইলটি সুরক্ষিত রাখতে পারবেন পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে এই সামান্য কাজটি আপনার মোবাইলকে অনেক সুরক্ষিত রাখতে পারে। আপনার সব ধরনের প্রয়োজনীয় অ্যাপস থেকে শুরু করে আপনি আর অনেক কিছু সুরক্ষিত রাখতে পারেন যেমন আপনার মিন্ট ব্যাংক অ্যাপস, জার্নাল অ্যাপস (dayone) আপনার নোট অ্যাপস (evernote) ইত্যাদি আপনি নিশ্চিন্তে রাখতে পারেন। ইমেল অ্যাপস যখন আপনার মোবাইলে ইন্সটাল করা থাকে তখন যে কেউ আপনার মোবাইলে প্রবেশ করে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে। কিন্তু আপনার এই হোম স্ক্রিন পাসওয়ার্ড আপনার মোবাইলকে অনেক  সহজে রক্ষা করতে পারে।

২       এন্ড্রয়েড মোবাইলের দ্বিতীয় সিকিউরিটি যে বিষয় তা আছে তা হয়তো অনেকে জানেন না বা বুঝতে পারেন না যে কেও আপনার আই ক্লাউড বা আপনার জিমেইল একাউন্ট এ গিয়ে আপনার কত বড় ক্ষতি করতে পারে। যখন আপনি আপনার স্মার্ট ফোনে অনেক কষ্ট করে কিছু তৈরি করলেন এবং কেও আপনার মোবাইলে আই ক্লাউড বা জিমেইল ব্যাবহার করে আপনার সব তথ্য চুরি করে নিলো। আপনি এর জন্য আপনার মোবাইলের জিমেইল একাউন্টে ২ স্টেপ একটিভ করে নিতে পারেন এই কাজটি করলে কেউ যদি আপনার জিমেইল পাসওয়ার্ড জেনেও যায় তাহলে আপনার ভয়ের কিছু নেই। কারন আপনার মোবাইলের ২ স্টেপ একটিভ করা আছে। তাই কেও যদি আপনার জিমেইলে লগ ইন করে তাহলে আপনার মোবাইলে যে কোডটি আসবে সেটা ছাড়া কেউ আপনার একাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে না

৩       রুট করা থেকে বিরত থাকুন
        আপনি হয়তো আপনার মোবাইল ফোনটি রুট করে অনেক মজা পাচ্ছেন। কারন রুট করার ফলে আপনি মুক্ত হতে পারেন। আপনার মনের মত অ্যাপস আপনি ইন্সটল করতে পারেন কিন্তু আপনি কি জানেন আপনার এই রুট করার ফলে আপনার ক্ষণিকের আনন্দ পরিনিত অতে পারে বিষাদে। কারন আপনার মোবাইল ফোনটি আপনি  যত দিন রুট না করবেন তত দিন আপনার মোবাইল সব ধরনের দূষিত অ্যাপস থেকে বিরত থাকবে এবং যখন আপনি রুট করবেন তখন আপনার মোবাইলে কোন ধরনের বাধা থাকবে না তাই সেখানে অ্যাপস এর সাথে ভাইরাস প্রবেশ করতেই পারে তো আপনি যত দূর পারেন আপনার মোবাইলটি রুট করা থেকে বিরত থাকুন।
৪         যে কোন অ্যাপস ডাউনলোড করতে একটু সতর্ক থাকুন
         এন্ড্রয়েড মোবাইল মানে নিত্য নতুন অ্যাপস ডাউনলোড করা আর মজা নেওয়া। কিন্তু আপনি একটু ও ভেবে দেখেছেন আপনার অ্যাপস টি ভাইরাস মুক্ত কি না। হ্যা অবশ্যয় আপনার মোবাইল অ্যাপস টি পরিক্ষা করবেন। এই তো কিছু দিন আগে গুগলে ৫০,০০০ অ্যাপস রিমুভ করেছে। কারন গুগলে এর অ্যাপস সব সময় ভাইরাস মুক্ত থাকে তাই তারা কোন সমস্যা হওয়ার আগে এই সব অ্যাপস গুলা রিমুভ করে থাকে। দেখা গেছে ২০১২ সালে  ৩২ মিলিয়ন এন্ড্রয়েড ডিভাইস অ্যাপস এর ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে। এগুলো আপেল এ ৯৫% আক্রান্ত হয়েছে। আপনি যদি অ্যাপেল পছন্দ না করেন। কিন্তু যদি এটা আপনার সাধের মোবাইলের সাথে হয় তবে কেমন হবে তাই অবশ্যয় অ্যাপস বা সফটওয়্যার ডাওনলোড করার সময় সতর্ক থাকবেন। এন্ড্রয়েড জন্য গুগলে প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করলে ভাল হয়।
৫      আপনি যদি আপনার মোবাইলে কোন ব্যাংকের কাজ কারবার করে থাকেন তাহলে অবশ্যয় আপনার স্মার্ট         ফোনে একটি মাত্র ব্রাউজার ব্যাবহার করতে হবে। এসব কাজ কারবার করতে অবশ্যয় অফিশিয়াল অ্যাপস            ব্যাবহার করতে হবে। উধাহরন সরূপ ব্যাংক অফ আমিরিকা, ভানগার্ড, মিন্ট ইত্যাদি কোম্পানির তাদের              নিজেশ্য ব্রাউসজার থাকে।
৬   বর্তমানে হ্যাকাররা এই কাজটি খুব বেশি করে থাকে। মানে এরা ম্যাসেজের মাধ্যমে কিছু লোভনীয় অফার দেয়ে থাকে এবং তাঁর ভিতর ট্রোজান, স্পাইওয়্যার প্রভৃতি দিয়ে দেয়এই ধরনের অফার থেকে দূরে থাকুন। ফিশিং এর উধাহরন সরূপ লটারি, কন্টেস্ট, ফ্রি ডাউনলোড ইত্যাদি।
এই ধরনের আর অনেক সমস্যা আছে যা আমাদের চিন্তার বাইরে নয়।
৭ ধরুন আপনার মোবাইল ফোন যদি অন্য কারো হাতে পরে যায় বা চুরি হয়ে যাই এবং ওই ব্যাবহার কারি যদি আপনার সব কনট্যাক্ট নাম্বার, ইমেইল নাম্বার জেনে যায় তবে কেমন হবে। নিশ্চয় ভাল হবে না। তাই এন্ড্ররয়েড এর জন্য একটি ভাল কাজ করেছেযে প্রথম ব্যাবহারকারি তাঁর ডিভাইসটি বন্ধ করে দিতে পারবে। এই কাজটি মোট চার জন ব্যাবহাকারির তিন জন করতে পারবে। মোবাইল ডিভাইসের বড় সমস্যা হচ্ছে তথ্য হারিয়ে যাওয়া। দেখা গেছে প্রায় ৫৮% এন্ড্ররয়েড তাদের ফোনের তথ্য হারিয়ে যাওয়ার জন্য ভিত থাকে। অ্যাপেলের আইফোন ব্যাবহারকারিরা আইটিউন থেকে তাদের তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। কিন্তু এন্ড্রয়েড ব্যাবহারকারিরা ডেক্সটপ সিঙ্ক করেও নিতে পারে না। কিন্তু একভাবে সকল ডাটা পাওয়া যেতে পারে তা হচ্ছে সকল ফাইলের ব্যাকআপ রাখা।
৮ আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইল বেশির ভাগ আক্রান্ত হতে পারে ভাইরাস দ্বারা তাই আপনাকে অবশ্যয়  আপনার মোবাইলের সিকিউরিটি সফটওয়্যারটি আপডেড করে নিন। দেখা যায় আপনার কম্পিউটারে সুরক্ষার জন্য কত কিছুই না করেছেন কিন্তু আপনার মোবাইলের জন্য কোন দিন ভেবেছেন যে আপনার মোবাইল কি অবস্থায় আছে। তাই অবশ্যয় আপনাকে আপনার মোবাইলের সিকিউরিটি অ্যাপস টা আপডেড করে নিন।
৯ যখন আপনি ঘরে থাকবেন না তখন অবশ্যয় আপনার মোবাইলের ওয়্যারলেস এবং ব্লুটুথ অফ করে রাখবেন। বা আপনি যখন বাইরে যাবেন এবং আপনার ব্লুটূথের দরকার না থাকবে তখন ব্লুটুথ বন্ধ করে রাখবেন কারন আপনার ব্লুটূথ বা ওয়্যারলেস এর কানেকশন যদি কোন হ্যাকার পায় তাহলে আপনার মোবাইল টি হ্যাক করে আপনার প্রয়োজনীয় ডাঁটা চুরি করে থাকে। তাই সাবধান।

১০ বিশ্বব্যাপী স্মার্টফোন ইউজারের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আর বর্তমানে স্মার্টফোন ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষে অবস্থান করছে স্যামসাঙ। সম্প্রতি কিছুদিন আগে দুবাই তে একটি স্যামসাঙ স্মার্টফোনের বিস্ফোরণ ঘটে। তবে এই বিস্ফোরণে স্মার্টফোন টি ছাড়া অন্য কিছু ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। তারপর সুইজারল্যান্ড এ একটি স্মার্ট ফোনে অগ্নিসংযোগ ঘটে এবং সর্বশেষ হংকং এ গ্যালাক্সি এস ৪ বিস্ফোরণে সম্পূর্ণ একটি এপার্টমেন্ট পুড়ে যায়। একবার ভাবুন, দিনভর আপনি আপনার স্মার্ট ফোন টি ব্যবহার করে থাকেন। সারাদিনে কখনো এটি আপনার হাতে, কখনো আপনার পকেটে থাকছে, আবার কল আসলে আপনি কানে লাগিয়ে কথাও বলছেন। আর বর্তমানে টিন এজারদের প্রায় সারাদিন কাটে স্মার্টফোন নিয়ে। যেখানে স্মার্টফোনের ব্যবহার এত বেশি সেখানে এরকম দুর্ঘটনা সত্যি আমাদের ভাবিয়ে তুলে। তাও আবার যেন তেন চাইনিজ স্মার্টফোনে বিস্ফোরণ ঘটলে একটা কথা ছিল, কিন্তু ঘটেছে বিশ্বের অন্যতম আধুনিক স্মার্টফোন স্যামসাঙ গালাক্সি এস ৪ এ। তাই ভাবনা টা আরও বেশি।

জিমেইলে কীভাবে ২ স্টেপ চালু করবেন

প্রযুক্তির দুনিয়া, এখন সব কিছু হয় প্রযুক্তি দিয়ে। কেনা থেকে শুরু করে বিক্রি পর্যন্ত সব কিছু হয় এখন অনলাইনে।  ঘরে বসে করতে পারবেন সব কিছু। দেখা যাচ্ছে কিছু দিন পর নিজের মনের মানুষকেই ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করছে, হা ......হা ...হ। ইন্টারনেটের কিছু জিনিস ব্যাবহার করতে হয় জত্নের সাথে তা নাহলে যে কোন সময় একটা দূর ঘটনা ঘটতে পারে। মানুষ এখন আধুনিক হয়েছে সাথে পালটে ফেলেছে তাদের জীবন পরিচালনার ধরন। আগে মানুষ টাকা রাখত তাদের বাড়িতে বা কোন কলসিতে ইত্যাদি স্থানে।

কিন্তু এখন সব টাকা রখা হয় ব্যাংকে আবার তা পরিচালনার জন্য ব্যাবহার করা হয় সামান্য একটি মেইল একাউন্ট। এছাড়াও বিদেশ থেকে টাকা আনা, টাকা পাঠানো ইত্যাদি সব কিছু জিমেইলে। আবার সব টাকা ব্যাংকেও রাখতে হচ্ছে না টাকা থাকছে মেইল একাউন্টে। কিন্তু আপনি কি ভেবে দেখেছেন যে আপনার মেইল একাউন্ট কতটা সুরক্ষিত। যখন আপনার সব কাজ মেইল একাউন্ট এর মাধ্যমে করতে হয়, তাই অবশ্যই আপনাকে আপনার মেইল একাউন্টটা ভাল করে সিকিউট করতে হবে। কেউ যদি আপনার পাসওয়ার্ড জেনে যায়, তো তাঁর পক্ষে আপনার মেইল একাউটে প্রবেশ করা অসম্ভব কারন, আজ আপনাদের দেখাবো কীভাবে আপনি আপনার মেইল একাউন্টে ২ স্টেপ চালু করবেন।

আমি গুগলের জিমেইল ব্যাবহার করি কারন গুগলের সেবা গুলো খুবি ভাল। তাই আমি আপনাদের দেখাবো জিমেইলে কীভাবে ২ স্টেপ চালু করবেন। আসুন শুরু করি।

প্রথমে এই লিংকে যান www.google.com/2step
এই পেজটিতে গেট স্টারডে ক্লিক করুন, প্রথম পেজের কাজ শেষ। 
2 step on gmail

এবার যে পেজটা আসবে সেখানে স্টারড সেটআপে ক্লিক করুন। এর কাজও শেষ, এবার পরের পেজে যাওয়া যাক।
gmail 2 step verification


আপনি যে মোবাইল নাম্বার দিয়ে আপনার জিমেইল একাউন্ট খুলেছেন সেই নাম্বার টা দেখাবে আপনি এবার সেভ এন্ড কন্টিনিউ করুন।

2 step gmail

আপনি যে নাম্বারে আপনার কোডগুলো পাঠাতে চান সেই নাম্বারটি প্রবেশ করান এবং সেন্ড কোড এ ক্লিক করুন।

2 step vitrifaction on gmail

আর সামান্য কাজ আছে, মানে আপনার মোবাইলে একটা কোড যাবে আর সেই কোডটা আপনি পরের পেজে লিখে দিবেন ভেরিফাই ক্লিক করুন এইতো কাজ,
gmail 2 step

 এখন আপনার জিমেইল একাউন্টা আপনার ওই মোবাইলের কোড ছাড়া কেউ আর খুলতে পারবে না ।



            


১০ সেপ্টেম্বর ২০১৩

কিভাবে আপনার একটি মেইল একাউন্ট থেকে অন্য মেইল একাউন্ট পরিচালনা করবেন

জিমেইল! এখনকার সময়ে এই নামটা জানেন না, এমন লোক দেখায় যায় না। জানা তো দূরে থাক মেইল একাউন্ট নেই এমন লোকও খুব কম। আবার আছে তো আছে একেক জনের ৪ থেকে ৫ টা করে। কিন্তু মানুষ কর্ম ব্যাস্ত জীবনে একটু আনন্দ পাওয়ার জন্য ফেসবুক, টুইটার ইত্যাদির উপর বেশি সময় কাটায়। তাই তাদের পক্ষে একবারে সব মেইল চেক করা একধরণের ঝামেলা হয়ে দাঁড়ায়। এমন যদি হত আপনি একটি মাত্র একাউন্ট থেকে সব কাজ করতে পারবেন এই ধরুন, মেইল পাঠানো, মেইল রিসিভ ইত্যাদি কাজ।

আপনি একটু চেষ্টা করলে এই সকল কাজ অনায়াসে করতে পারবেন। হ্যা সত্যি আসুন আমরা দেখি কিভাবে আপনার একটি মেইল একাউন্ট থেকে অন্য মেইল একাউন্ট পরিচালনা করবেন

এই কাজটি শুরু করার জন্য আপনার দুইটা ব্রাউজার লাগবে। আর যদি আপনার কাছে গুগল এর ক্রম ব্রাউজার থাকে তাহলে একটাতেই হবে (মানে আপনাকে ইনকগ্নিটো ব্যাবহার করতে হবে)
                                           incognito page

এবার আপনি আপনার দুইটা মেইল আইডি খুলুন আপনার দুইটা ব্রাউজারে। আপনাদের বোঝানোর জন্য আমি ক এবং খ ব্যাবহার করছি। ধরুন আপনি আপনার ক মেইল একাউন্ট থেকে আপনার খ  মেইল একাউন্ট চালাবেন। আপনি আপনার খ  মেইল একাউন্টে যান  এবার সেটিং এ যান
gmail setting

 সেটিং এ ক্লিক করার পর ঠিক এরকম একটা পেগ আসবে। সেখানে আপনি    ফরওয়ার্ডিং এন্ড পপ ক্লিক করুন এবং পরের পেজে এড এ ফরওয়ার্ডিং...... এ ক্লিক করুন।
add forwarding

এবারে আপনাকে আপনার   মেইল এড্রেস টি প্রবেশ করাতে হবে এবং নেক্সট এ ক্লিক করবেন।
enter your address
                              
এবার আপনাকে কাজটি করার জন্য অনুমতি দিতে হবে, মানে প্রসেস এ ক্লিক করুন।
proceed

প্রসেস এ ক্লিক করার পর আপনার খ মেইল নাম্বারে একটা কোড যাবে এবং সেই কোডটা আপনি আপনার খ  নাম্বার মেইল নাম্বারের বক্সে প্রবেশ করান এবং ভেরিফাই এ ক্লিক করুন ব্যাস এইটুকু কাজ ছিল। এখন আপনি আপনার ক নাম্বার মেইল একাউন্ট থেকে খ মেইল একাউন্ট এর সব কিছু দেখতে পারবেন কারন আপনার খ মেইলের সব ম্যাসেজ ক  চলে আসবে।
verify

এবার আপনি আপানর ক মেইল থেকে খ মেইল এর সব ম্যাসেজ পাঠাতে পারবেন আর এটি করার জন্য আর একটু কষ্ট করতেই হবে। তো শুরু করা যাক।

আপনাকে এবার আপনার ক নাম্বার মেইল এ প্রবেশ করুন এবং আগেরটার মত সেটিং এ যান এবং একাউন্ট এ ক্লিক করুন তাঁর পর যে পেজটি আসবে এড এনাদার নাম্বার এ ক্লিক করুন।
gmail account

এই পেজে আপনি আপনার খ মেইল এড্রেস টি প্রবেশ করান। এবার, এবার নেক্সট করুন।
mail forwarding


এবার ছোট্ট কাজটি সেন্ড ভেরিফ্যাকাসন ক্লিক করুন।
send verify

আপনার খ নাম্বার মেইলে একটি ম্যাসেজ গেছে আগের মত এবার কোডটি বসিয়ে দিন এবং ভেরিফাই করুন ব্যাস আপনার কাজ শেষ।
enter verify


আপনি এটি যাচাই করার জন্য কম্পোজে চলে যান এবং ফ্রম এর কোণে ক্লিক করুন আপনার খ নাম্বার মেইল এড্রেস টা আপনি দেখতে পাবেন।
                        compose mail
ব্যাস এইতো কাজ এখন আপনার অনেক মেইল এড্রেস থাকলে অসুবিধা কোথায়, আপনি তাদের আয়ত্ত করবার কৌশল জানেন।





০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩

যেভাবে গুগল ক্যালেন্ডার থেকে ফ্রী এসএমএস ইভেন্ট নোটিফিকেশন সার্ভিস চালু করবেন

যেভাবে গুগল ক্যালেন্ডার থেকে ফ্রী এসএমএস ইভেন্ট নোটিফিকেশন সার্ভিস চালু করবেন

মানুষ ভুলতে পারেই বলে হইত বেঁচে আছে, না হলে একটা শিশু জন্ম নেওয়ার পরেই হইতবা কাঁদতে কাঁদতে মারা যেত, কারন মায়ের পেটে সেই সুখের জায়গার কথা যদি না ভুলতে পারত। আমার জন্মদিন আমার-ই মনে থাকেনা, বন্ধুদের মনে রাখাতো আর কঠিন। এটাকে জয় করার জন্যই গুগল ক্যালেন্ডার এসএমএস নোটিফিকেশন সার্ভিস চালু করেছে, যেখানে আপনি ঠিক ইভেন্টের আগেই এসএমএস নোটিফিকেশন পাবেন। এই সার্ভিসটা আমি অনেক দিন ধরেই ব্যাবহার করছি খুব কাজের একটা সার্ভিস, চাইলে আজ থেকে আপনিও এটা চালু করে নিতে পারেন। চলুন দেখি কিভাবে চালু করবেন এটা। আশা করি এই সার্ভিসটা চালু করার পরে আপনার ইভেন্ট ভুলে যাওয়ার সমস্যাটা লাঘব হবে।

যেভাবে এসএমএস সার্ভিস চালু করবেন
প্রথমে গুগল ক্যালেন্ডারে যান, গুগল অ্যাকাউন্ট না থাকলে সাইনআপে ক্লিক করে একটা গুগল অ্যাকাউন্ট খুলে নিন।
যাদের অ্যাকাউন্ট আছে সাইনইন করুন (গুগল ও গুগল ক্যালেন্ডারের একই ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড)
ক্যালেন্ডার সেটিংস্‌-এ ক্লিক করুন (বুঝতে সমস্যা হলে ছবি দেখে করুন)
সেটিংস্‌-এ ক্লিক করুন

মোবাইল সেটআপে ক্লিক করুন
মোবাইল সেটআপ পেজে দেশ সিলেক্ট করুন, মোবাইল নাম্বার দিন (মোবাইল নাম্বারটা অবশ্যই ইন্টারন্যাশনাল ফরম্যাটে দিবেন, মানে +৮৮ লাগাবেন)
সেন্ড ভেরিফিকেশন কোড বাটনে ক্লিক করুন
আপনার মোবাইল (যে নাম্বারটা উপরে দিলেন) চেক করুন, দেখুন এখানে গুগল থেকে একটা এসএমএস এসেছে, দেখুন ঐ এসএমএসের মধ্যে একটা কোড আছে, ঐ কোড টা ভেরিফিকেশন কোডের জায়গাই বসিয়ে দিন এবং ফিনিশ সেটআপ ও সেভে ক্লিক করুন।


এবারে ইভেন্ট ক্রিয়েট করার জন্য ক্রিয়েট বাটনে ক্লিক করুন, এখানে একটা নাম দিন (আমি ইউনিভার্সিটি লিখেছি), অ্যাডে ক্লিক করুন।

অ্যাডে ক্লিক করার পরে একটা নতুন পেজ আসবে, ওখানে শিরনামের পরে ইভেন্টের তারিখ ও সময় নির্বাচন করুন। পরের অল ডে মানে কাজটা আপনি সারাদিন ধরে করবেন। রিপিট মানে ঐ কাজটা আপনি বারে বারে সিলেক্ট করতে পারবেন, যেমন আপনার ক্লাস আছে সোম, মঙ্গল ও বুধ বারে সেক্ষেত্রে রিপিটে ক্লিক করে বার ঠিক করে ডানে ক্লিক করুন।
ইভেন্টি কোথায় ও বর্ণনা লিখুন, এই দুইটাই আপনি আপনার এসএমএসে আসবে। ডান পাশের অ্যাড মানে আপনি আপনার ফ্রেন্ডের সাথেও এটা শেয়ার করতে পারেন, অ্যাডের নিচেরটা প্রাইভেসি সেটিং।
ইভেন্টের কালার মানে ক্যালেন্ডারে এই ইভেন্টটা যে কালারে দেখাবে। রিমাইন্ডারে এসএমএস সিলেক্ট করে, ইভেন্টের কতক্ষণ আগে এসএমএস পেতে চাচ্ছেন সেটা নির্বাচন করুন।
শো মি এজ এবং প্রাইভেসি অপশন গুলো আপনার ইচ্ছা মত সিলেক্ট করুন। উপরের লাল কালারের সেভ বাটনে ক্লিক করুন।

সেভ বাটনে ক্লিক করার পরে দেখুন ইভেন্টটা আপনার ক্যালেন্ডারে যোগ হয়ে গেছে, এই ভাবেই ইচ্ছা মত যোগ করে নিন, এর পরে থেকে এসএমএস পেতে থাকবেন।
আপনি যদি ইভেন্টটা এডিট বা ডিলিট করতে চান, সেক্ষেত্রে ক্যালেন্ডারে ইভেন্টের উপরে ক্লিক করুন এবং এডিট বা ডিলিটে ক্লিক করুন।


বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ
১। ইভেন্টটা কোথায় ও বর্ণনা ১২০অক্ষরের মধ্যে লিখুন, গুগল স্ট্যান্ডার্ড এসএমএস (১৬০ অক্ষর) সাপোর্ট করে। এর বেশি হয়ে গেলে ঐ ইভেন্টের এসএমএস আসবে না।
২। বাংলাদেশের জন্য প্রতিদিন ৩টা পর্যন্ত এসএমএস নোটিফিকেশন পাবেন, এর উপরে গুগল এলাউ করে না, গুগল সেটা কে স্প্যাম হিসাবে গণ্য করে।

৩। এই এসএমএস সার্ভিসের সকল দায় ও দায়িত্ব গুগল ইনকর্পোরেট ইউএসের, এর সাথে আমাদের কোন রকম সম্পৃক্ততা নাই।

০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩

কিভাবে ব্লগে টেমপ্লেট লাগাতে হয়

বর্তমানে ব্লগ একটা জনপ্রিয় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় সবাই এখন ব্লগ এর দিকে ঝুকে পড়েছে। দেখা যায় আয় টি তে আজ যারা সফল তারা সবাই এক সময় ব্লগিং করতেন। আপনি যদি ব্লগিং করতে চান তাহলে আজি শুরু করে দিন কারন ব্লগিং করে শুধু অন্যকে জানানো যায় তা কিন্তু নয় ব্লগিং করলে আপনিও জানতে পারবেন অনেক কিছু। ব্লগ করতে হলে যে সকল কাজ করতে হয় তা হচ্ছে ব্লগকে সুন্দর ভাবে সাজানো যাতে ভিজিটর আকৃষ্ট হয় আর এই কাজটি করতে হলে আপনাকে অবশ্যয়  সুন্দর এবং ভাল মানের টেমপ্লেট লাগাতে হবে। অনেকেই হয়তো কিভাবে টেমপ্লেট লাগাতে হয় সেটা জানেন না। তো চিন্তার কোন কারন নেই কারন আজ আমি আপনাদের কিভাবে ব্লগে টেমপ্লেট লাগাতে হয় তা দেখাবো
আপনি লেখা ও ছবি গুলা অনুসরন করুন
প্রথমে আপনি গুগলে সার্চ করে আপনি একটি টেমপ্লেট ডাওনলোড করে নিন
blog tamplet

ডাওনলোড হওয়ার পর ফাইল টি জিপ ফাইল থেকে আনজিপ করুন।
blog tamplet

এবার আপনি আপনার ব্লগারের ড্যাশ বোর্ডে যান এবং সেখানে টেমপ্লেট এ ক্লিক করুন।
how to add blog tamplet

এই রকম একটা পেজ আসবে সেখানে ব্যাক আপ এ ক্লিক করুন

tamplet for blog


এবার যে বক্সটা আসবে সেখানে ব্রাউস ক্লিক করে আপনার পছন্দের টেমপ্লেটটি যুক্ত করুন এবং আপলোড করুন।
add tamplet

আপনার কাজ শেষ, এখন আপনি সুন্দর ও মনের মত টেমপ্লেট দেখতে পারবেন।



কীভাবে সহজে ব্লগ খোলা যায়

আজ আমি আপনাদের সাথে যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করব তা হচ্ছে ব্লগ। নিজের সখের বসেই হোক আর টাকা আয়ের জন্য হোক, ব্লগ এখন একটি জনপ্রিয় বিষয় হয়ে দাড়িয়েছেঅনলাইনে টাকা ইনকামের যে পথ গুলা আছে তাঁর ভিতর ব্লগ একটি জনপ্রিয় পথতাই এখন অনেকে ব্লগের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

 যাই হোক আপনারা যদি কেউ ব্লগ খুলতে চান তাহলে এই পোস্টটি কষ্ট করে আপানর জন্য লেখা। যাই  যাই হোক কীভাবে সহজে  ব্লগ খোলা যায় আজ আপনাদের তাই দেখাব। তো আসুন শুরু করা যাক।
প্রথমে আপনি এই লিংকে প্রবেশ  করুন blogger.com তাঁর পর যে পেজটি আসবে সেখানে উপরে sing up করুন। আর যদি আপনার আগে থেকে gmail একাউন্ট থাকে তাহলে সেটা log in করুন এবং নিচের ছবি গুলা অনুসরন করুন।

লগ ইন করলে এমন একটা পেজ আসবে। সেখানে আপনি ব্লগারে অবিরত রাখুন এ ক্লিক করুন। তাহলে আপনার কাজ হয়ে যাবে।
blog

এবার সাইন আপ  করলে এমন একটা পেজ আসবে। এখানে আপনি আপনার নাম পছন্দের মেইল এর ঠিকানা জন্ম তারিখ প্রবেশ করান এবং সব কাজ শেষ হলে পরের স্টেপ এ চলে যান।  
open blog
                                                                          
পরের পেজে আপনার মোবাইল ভেরিফাই করুন (আপনি ইচ্ছে করলে ম্যাসেজ অথবা ভয়েজ কল করতে পারেন) এবং শেষ হলে কন্টিনিউ করুন। যে পেজ টি আসবে সেখানে আপনার ছবি দিয়ে আপনার প্রোফাইল এর কাজ শেষ করুন।এবার আপনার ব্লগ প্রোফাইল এর পালা।
create blog

আপনার নামের নিচে দেখুন একটা অপশন আছে নিউ ব্লগ নামে সেখানে ক্লিক করুন।
how to create blog

          
এবার আপনার কাছে যে পেজ টি আসবে সেখানে খুব ভাল করে আপনার ব্লগের নাম এবং ঠিকানা প্রবেশ    করান। (এটা আপনি খুব ভাল ভাবে বসাবেন যাতে আপনার ব্লগের ও ঠিকানা সবার মনে থাকে) এবং শেষ হলে যে কোন একটা টেমপ্লেট সিলেক্ট করুন (আপনি পরে এটা পরিবর্তন করতে পারবেন) এবং নিচের বাটনে ক্লিক করুন ব্যাস আপনার ব্লগ খোলা হয়ে গেল।                       
এবার আপনি আপানর মনের মত করে ব্লগটি সাজান।
create blog

ধন্যবাদ